৪৫ বছর ধরে লোহা পিটিয়ে জীবন চালানো শ্রীবাসের এখন কঠিন সময়
মানিকগঞ্জ পৌর এলাকার বড় সরুন্ডি গ্রামের বাসিন্দা শ্রীবাস দাসের বয়স এখন ৬৭ বছর। জীবনের প্রায় ৪৫ বছর তিনি কাটিয়েছেন আগুনের ভাট্টি, হাতুড়ি আর লোহা পেটানোর শব্দের মধ্যে। একসময় তাঁর তৈরি দা, কাস্তে ও কৃষিকাজের নানা সরঞ্জামের ব্যাপক চাহিদা ছিল। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজের ব্যস্ততায় দম ফেলারও সময় মিলত না। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে সেই ব্যস্ততা এখন অনেকটাই স্মৃতি। কাজ কমে যাওয়ায় আয়ও কমেছে, আর তাতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠেছে। গতকাল রোববার দুপুরে বড় সরুন্ডি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পূর্
মানিকগঞ্জের বড় সরুন্ডি গ্রামের ৬৭ বছর বয়সী কামার শ্রীবাস দাস গত ৪৫ বছর ধরে লোহা পিটিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। একসময় কৃষিকাজের সরঞ্জামের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও বর্তমানে আধুনিক যন্ত্রপাতির সহজলভ্যতায় তাঁর কাজের পরিমাণ ও আয় উভয়ই কমে গেছে। নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমূল্যের বাজারে প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা আয় দিয়ে সংসার চালানো তাঁর জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়লেও পেশার প্রতি ভালোবাসা থেকে তিনি এখনো প্রতিদিন কর্মশালায় আগুন জ্বালান। সন্তানদের নিজস্ব সংসার থাকায় তাদের কাছ থেকেও খুব একটা সহায়তা পাওয়া সম্ভব হয় না। তবুও হাতে তৈরি সরঞ্জামের গুণগত মানের ওপর আস্থা রেখে এখনো কিছু গ্রাহক তাঁর কাছে আসেন, যা তাঁকে টিকে থাকার প্রেরণা জোগায়।
প্রথাগত পেশাজীবীদের আধুনিকায়ন ও অর্থনৈতিক সংকটের মুখে টিকে থাকার লড়াইয়ের একটি বাস্তব চিত্র এই প্রতিবেদনে ফুটে উঠেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →