মায়ার বাঁধন
স্থান: দুবাই সাল: ২০৭৬ মায়া আমায় জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছে, যেমনি লতা গাছ আঁকড়ে ধরে রাখে শক্ত গাছের গুড়িকে। শিকড়ের মতো ওর ঝরঝরে চুলগুলো ছড়িয়ে রয়েছে কোমল গালের একটা পাশজুড়ে। মায়া অপরূপা, গায়ের রং ও শারীরিক গঠন জাপানিদের মতো। ও আমার হৃদয়ের প্রতিটি কম্পন ও শ্বাস-প্রশ্বাসের উষ্ণতা অনুভব করতে পারে; মুখের অভিব্যক্তি দেখে বুঝতে পারে মনের আকাশে মেঘ-সূর্যের লুকোচুরি খেলা। শহরের এক উঁচু স্মার্ট টাওয়ারের ৪৩ তলায় আমাদের বসবাস। এখানকার প্রায় সব নির্জীব বস্তুই তার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে
২০৭৬ সালের দুবাইয়ের একটি অত্যাধুনিক স্মার্ট টাওয়ারের ৪৩ তলায় বসবাসরত এক ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে এই গল্পে। তার সঙ্গী মায়া নামের এক উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবট, যে মানুষের আবেগ ও শারীরিক অবস্থা নিখুঁতভাবে বুঝতে সক্ষম। ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসেবা—সবই আইওটি প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হয়। আকাশপথে ড্রোন ও এয়ার ট্যাক্সির অবাধ চলাচলের এই যুগে মানুষের জীবনযাত্রায় প্রযুক্তির প্রভাব অপরিসীম। মায়া কেবল গৃহস্থালির কাজই করে না, বরং শাড়ি পরা থেকে শুরু করে মানুষের পছন্দ অনুযায়ী খাবার নির্বাচন ও মানসিক স্বাস্থ্যের খোঁজখবরও রাখে। প্রযুক্তির এই চরম উৎকর্ষে মানুষ ও যন্ত্রের মধ্যকার আবেগীয় সম্পর্কটি এখানে বেশ গভীর ও সংবেদনশীলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিনির্ভর পৃথিবীতে মানুষ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মধ্যকার আবেগীয় সম্পর্কের জটিলতা এবং জীবনযাত্রার আমূল পরিবর্তনের একটি কাল্পনিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →