শিউলিদিদি
সে বছর বর্ষা অনেক দীর্ঘ হয়েছিল। আষাঢ় মাসের প্রথম দিন থেকেই আকাশের মুখ ভার। ভোরবেলা ঘুম ভাঙলে দেখা যেত, পুব আকাশে সূর্য উঠেছে ঠিকই কিন্তু তা যেন কুয়াশা-লেপা মেঘের আড়াল থেকে। মাঠের ধান কেবল মাথা তুলতে শুরু করেছে। রাতের বৃষ্টির পরে জমির আইল নরম হয়ে যায়, পা ফেললে কাদামাটি পায়ের সঙ্গে লেগে থাকে। বাঁশঝাড়ের পাতায় টুপটাপ জল পড়ে, কোথাও শজনেগাছের ডালে ভেজা শালিক ডানা ঝাড়ে। আমাদের গ্রামটা ছিল পদ্মা নদীর খুব কাছে। বর্ষায় নদী ফুলে উঠলে জল এসে মাঠ ছুঁয়ে যেত। পথের দুপাশের খালে কলমিলতা আর শা
বর্ষার এক মেঘলা দিনে স্কুল থেকে ফেরার পথে পদ্মাপাড়ের গ্রামের এক কিশোরের সঙ্গে পরিচয় হয় শিউলি নামের এক তরুণীর। বটগাছের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা শিউলিকে কালীবাড়ির পথ দেখিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তাদের সম্পর্কের সূচনা হয়। এরপর থেকেই কিশোরটির দৈনন্দিন স্কুলযাত্রার একঘেয়েমি কেটে গিয়ে এক নতুন ভালো লাগার আবেশ তৈরি হয়। শিউলিদিদির মমতা মাখা আচরণ এবং ছোটখাটো উপহার কিশোরটির মনে এক গভীর আপনত্বের জায়গা করে নেয়। বৃষ্টির দিনে বটতলায় তাদের দেখা হওয়া এবং শিউলির যত্নশীল মনোভাব কিশোরটির একাকীত্ব দূর করে। এই অনাড়ম্বর পরিচয়টি ধীরে ধীরে এক অকৃত্রিম ও মধুর সম্পর্কের দিকে মোড় নেয়।
এই গল্পটি দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ ঘটনার মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা মানবিক সম্পর্কের সূক্ষ্ম ও আবেগঘন দিকটি ফুটিয়ে তুলেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →