ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ের উপকারিতা ও সতর্কতা

📌 Diğer 📰 Prothom Alo (BD) 🕐 3 saat önce
ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ের উপকারিতা ও সতর্কতা

বর্তমানে ফিটনেস–দুনিয়ায় আলোচিত শব্দযুগল হলো ‘ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং’ বা আইএফ। এটি আদতে প্রচলিত কোনো ডায়েট চার্ট নয়, বরং খাবার গ্রহণের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্যাটার্ন। আপনি ‘কী খাবেন’ তার চেয়ে ‘কখন খাবেন’—এটির ওপরই এখানে বেশি জোর দেওয়া হয়। ওজন কমানো থেকে শুরু করে শরীরের অভ্যন্তরীণ সুস্থতা ফেরাতে এ পদ্ধতি এখন বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ের সবচেয়ে বড় গুণ এটি শরীরের বিপাকপ্রক্রিয়া বা মেটাবলিজমকে উন্নত করে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ের সুফল ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ের সবচেয়ে ব

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা বিরতিহীন উপবাস বর্তমানে স্বাস্থ্য সচেতন মহলে বেশ জনপ্রিয় একটি খাদ্যাভ্যাস। এটি মূলত কী খাওয়ার চেয়ে কখন খাওয়ার ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়, যেখানে সাধারণত ১৬ ঘণ্টা না খেয়ে থেকে বাকি ৮ ঘণ্টায় খাবার গ্রহণ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় শরীর গ্লুকোজের পরিবর্তে সঞ্চিত চর্বি পুড়িয়ে শক্তি সংগ্রহ করে, যা বিপাকপ্রক্রিয়া উন্নত করতে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়িয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং কোষের অভ্যন্তরীণ পুনর্গঠন বা অটোফ্যাগি প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে। দীর্ঘমেয়াদে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা সম্ভব হলেও শরীরের পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখতে কয়েক মাস অন্তর বিরতি দেওয়া প্রয়োজন। তবে গর্ভবতী নারী, শিশু বা নির্দিষ্ট শারীরিক জটিলতায় আক্রান্তদের জন্য এই ডায়েট পদ্ধতি এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। যেকোনো বড় পরিবর্তনের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া এবং আট ঘণ্টার খাদ্যাভ্যাসে পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা জরুরি।

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং ওজন নিয়ন্ত্রণ ও দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্যের জন্য একটি কার্যকর জীবনধারা হিসেবে স্বীকৃত হলেও এটি সবার জন্য নিরাপদ নয়, তাই এর সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা জানা প্রয়োজন।

📌 Kaynak

Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön