চাঁদের দেশে চার নভোচারী
১০, ৯, ৮...৩, ২, ১... বুম! প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে উঠল চারপাশ। ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের মাটি ফুঁড়ে যেন একটা আস্ত আগ্নেয়গিরি জেগে উঠল! কমলা রঙের আগুন ও সাদা ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী পাকিয়ে একটি বিশাল রকেট ছুটতে শুরু করল। প্রচণ্ড গর্জনে চারপাশ কাঁপিয়ে রকেটটি যখন ওপরে উঠছিল, মনে হচ্ছিল যেন রূপকথার কোনো আগুনমুখো ড্রাগন হুস করে আকাশে উড়াল দিল! না, এটা কোনো মুভির দৃশ্য নয়। এই তো, ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল (বাংলাদেশ সময় ২ এপ্রিল) ঠিক এভাবেই মানুষ আবার চাঁদের পানে পাড়ি জমিয়েছিল! ৫০ বছরের ব
দীর্ঘ পাঁচ দশকের বিরতির পর আর্টেমিস-২ অভিযানের মাধ্যমে মানুষ পুনরায় চাঁদের কক্ষপথের কাছাকাছি পৌঁছানোর ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করেছে। নাসার তৈরি সর্বকালের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট 'স্পেস লঞ্চ সিস্টেম' ব্যবহার করে চারজন নভোচারী এই মহাকাশ যাত্রায় অংশ নেন। এই দলে ছিলেন ক্রিস্টিনা কোচ, ভিক্টর গ্লোভার, রিড ওয়াইজম্যান এবং জেরেমি হ্যানসেন, যারা আধুনিক মহাকাশ গবেষণায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্রের ওপর ভিত্তি করে রকেটটি পৃথিবী থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং অরায়ন ক্যাপসুলের মাধ্যমে নভোচারীরা তাদের যাত্রা সম্পন্ন করেন। এই মিশনটি বৈচিত্র্যময় প্রতিনিধিত্বের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে প্রথম নারী ও প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নভোচারী হিসেবে চাঁদের কাছাকাছি পৌঁছানোর রেকর্ড তৈরি হয়েছে। পুরো অভিযানটি মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা করেছে যা ভবিষ্যতে আরও বড় অভিযানের পথ প্রশস্ত করবে।
আর্টেমিস-২ মিশনটি মহাকাশ গবেষণায় দীর্ঘ বিরতির অবসান ঘটিয়ে নারী ও কৃষ্ণাঙ্গ নভোচারীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বৈচিত্র্যময় ও আধুনিক মহাকাশ অভিযানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →