শিল্পের জন্য কেটে ফেলা গাছের গোড়া থেকে নতুন বন
দেশের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য কাটা হয়েছিল হাজার হাজার গাছ। বন বিভাগ এখন ৪ হাজার ১০৪ একর জমি ফেরত চায়। চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বড়তাকিয়া থেকে একটি পাকা সড়ক চলে গেছে ফেনী নদীর মোহনার দিকে। সেই সড়ক ধরে কয়েক কিলোমিটার এগিয়ে গেলেই জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল শুরু। এটি দেশের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক অঞ্চল। আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর। ইতিমধ্যে সেখানে কিছু শিল্পকারখানার কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু ৩ জুন গিয়ে দেখা গেল, অর্থনৈতিক অঞ্চলটির বড় একটি অংশে গড়ে উঠেছে বন। বন বিভাগ, বাংলাদেশ অর্থ
বাংলাদেশের বৃহত্তম জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত মিরসরাইয়ের বিশাল এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে নতুন বন গড়ে উঠেছে। অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একসময় হাজার হাজার গাছ কাটা হলেও, অব্যবহৃত জমিতে গাছের গোড়া ও বীজ থেকে পুনরায় সবুজায়ন হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার ১০৪ একর জমিতে গেওয়া ও কেওড়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ জন্মেছে, যা স্থানীয় বন্যপ্রাণী ও পাখির নিরাপদ আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে। বন বিভাগ এই এলাকাটিকে প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে বিবেচনা করে তা সংরক্ষণের জন্য সরকারের কাছে ফেরত চেয়েছে। তাদের মতে, এই বন শিল্পকারখানার কার্বন নিঃসরণ শোষণে এবং উপকূলীয় দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বর্তমানে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও বন বিভাগের মধ্যে এই জমি হস্তান্তরের বিষয়ে আলোচনা চলছে।
শিল্পায়নের প্রয়োজনে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা বনভূমি সংরক্ষণের মধ্যে সমন্বয় সাধনের গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য এই বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →