বিশ্বকাপে গিয়ে ‘বাবা’ হয়ে মন খারাপ কিমের
পেশাদার ফুটবলারদের জীবনটা বোধ হয় এমনই—এক চরম টানাপোড়েনের গল্প। একদিকে দেশের জার্সিতে বিশ্বমঞ্চের ডাক, অন্যদিকে জীবনের সবচেয়ে মধুর মুহূর্তের হাতছানি। দক্ষিণ কোরিয়ার গোলরক্ষক কিম সেউং-গিউকে বেছে নিতে হয়েছিল প্রথমটিই। নিজের ক্যারিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপ রাঙানোর শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে এখন ব্যস্ত কিম সেউং-গিউ। কিন্তু এর জন্য তাঁকে দিতে হয়েছে এক বড় মূল্য। নিজের প্রথম সন্তানের জন্মের অসামান্য মুহূর্তে স্ত্রীর পাশে থাকা হয়নি তাঁর। জন্ম নিয়েছে ফুটফুটে এক কন্যাসন্তান। অথচ বাবা তখন হাজ
দক্ষিণ কোরিয়ার অভিজ্ঞ গোলরক্ষক কিম সেউং-গিউ বর্তমানে মেক্সিকোতে দলের সাথে বিশ্বকাপ প্রস্তুতির ব্যস্ত সময় পার করছেন। পেশাদার দায়িত্ব পালনের খাতিরে জীবনের এক বিশেষ মুহূর্তে তিনি নিজের স্ত্রীর পাশে থাকতে পারেননি, কারণ এই সময়েই তিনি প্রথম কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছেন। ৩৫ বছর বয়সী এই ফুটবলারের জন্য এটিই ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তাই দেশের হয়ে সেরাটা দিয়ে মাঠের সাফল্যকে নিজের সন্তানের জন্য উপহার হিসেবে নিয়ে ফিরতে চান তিনি। দলের কোচ হংক মিয়ুং-বোর আস্থার প্রতিদান দিয়ে গোলপোস্টের নিচে নিজের দক্ষতা প্রমাণের অপেক্ষায় আছেন এই অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। দূর থেকে সন্তানের জন্মের খবর পাওয়া কিমের জন্য আবেগঘন হলেও, পেশাদার ক্যারিয়ারের শেষ বড় আসরে তিনি নিজের লক্ষ্য পূরণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
পেশাদার ক্রীড়াবিদদের ব্যক্তিগত ত্যাগ এবং জাতীয় দায়িত্বের মধ্যে যে কঠিন ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়, এই ঘটনাটি তার একটি মানবিক উদাহরণ।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →