বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্রে ব্যয় রেকর্ড বেড়েছে: গবেষণা
বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নে ব্যয় গত বছর রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। একই সঙ্গে পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলো তাদের মজুতাগার থেকে আরও বেশি ওয়ারহেড (ক্ষেপণাস্ত্রসহ অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র) সক্রিয় উৎক্ষেপণব্যবস্থায় স্থানান্তর করেছে। বিশেষজ্ঞরা আজ মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন। পারমাণবিক অস্ত্র বিলোপে কাজ করা আন্তর্জাতিক জোট ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবোলিশ নিউক্লিয়ার ওয়েপনস (আইক্যান) এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলেছে, গত বছর পারমাণবিক অস্ত্রধারী ৯টি দেশ সম্মিলিতভাবে তা
বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক শক্তিধর নয়টি দেশ তাদের অস্ত্রভাণ্ডার আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে গত বছর রেকর্ড পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছে। ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবোলিশ নিউক্লিয়ার ওয়েপনস (আইক্যান)-এর তথ্য অনুযায়ী, এই খাতে সম্মিলিত ব্যয় প্রায় ১১ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১৯ শতাংশ বেশি। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, বিশ্ব বর্তমানে নতুন একটি পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার ঝুঁকিতে রয়েছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপ্রি) জানিয়েছে, যদিও সামগ্রিকভাবে পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা কিছুটা কমছে, তবে সক্রিয় বা ব্যবহারযোগ্য অস্ত্রের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এই ঝুঁকিকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে তুলেছে। বিশেষ করে চীন দ্রুতগতিতে তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে এবং বিশ্বের মোট অস্ত্রের সিংহভাগই যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুরোনো অস্ত্র ধ্বংসের হার কমে যাওয়া এবং নতুন অস্ত্র মোতায়েনের প্রবণতা ভবিষ্যতে বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার আধুনিকায়ন ও সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির এই প্রবণতা বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকিকে চরম মাত্রায় উন্নীত করেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →