আনন্দের ঈদের ছুটিতেও কেন এত হানাহানি
ঈদের মতো উৎসবের ছুটিতেও হানাহানির ঘটনার কোনো কমতি নেই। তুচ্ছ সব ঘটনায় বাধছে সংঘর্ষ। তাতে নিহতের ঘটনাও ঘটছে। সমাজ গবেষকেরা বলছেন, দিনে দিনে মানুষের ধৈর্য কমে যাচ্ছে, স্বার্থপর ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক হয়ে পড়ছে। তাই উৎসবের ছুটিতেও তারা মারামারি-হানাহানিতে জড়াচ্ছে। অধ্যাপক ফাতেমা রেজিনা ইকবালের কাছ থেকে ঘটনাটি শোনা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক। গত ঈদুল ফিতরের ছুটিতে কিশোরগঞ্জে তাঁর গ্রামের বাড়িতে গাছের কলা কাটা নিয়ে হুলুস্থুল কাণ্ড হয়। দুটি পক্ষে ভাগ হয়ে মারাম
ঈদের মতো আনন্দময় উৎসবের ছুটিতেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। সামান্য কলা কাটা, নামাজের স্থান নির্বাচন কিংবা কোরবানির পশুর মাংস বণ্টন নিয়ে গ্রাম্য বিবাদে জড়িয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষ, যা অনেক সময় প্রাণহানির মতো মর্মান্তিক ঘটনায় রূপ নিচ্ছে। সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, মানুষের মধ্যে অসহিষ্ণুতা, ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা এবং পারস্পরিক বিদ্বেষের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎসবের আমেজ ছাপিয়ে সংঘাতের ঘটনাগুলো বেশি দৃশ্যমান হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব ও স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারের লড়াই এই সহিংসতাকে আরও উসকে দিচ্ছে। এসব ঘটনার ফলে গ্রামগুলোতে মামলার ভয় ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে অনেক সময় এলাকা পুরুষশূন্য হয়ে পড়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এই ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা একটি বিভেদপূর্ণ ও অসহনশীল সমাজ গঠনের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা সামগ্রিক সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উৎসবের ছুটিতে তুচ্ছ কারণে সংঘটিত এই ধারাবাহিক সহিংসতা সামাজিক অবক্ষয় এবং মানুষের ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতার এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →