দক্ষিণাঞ্চলে নদীর পর গভীর নলকূপের পানিতেও লবণাক্ততা
বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় গভীর নলকূপের পানিতেও অস্বাভাবিক লবণাক্ততা ধরা পড়ছে। এতে হুমকিতে পড়েছে জনস্বাস্থ্য ও কৃষি। দক্ষিণাঞ্চলে উপকূলের অনেক নদীতে লবণাক্ততার মাত্রা সহনীয় সীমা ছাড়িয়ে গেছে আগেই। এখন গভীর নলকূপের পানিতেও অস্বাভাবিক লবণাক্ততা ধরা পড়ছে। ফলে একসময় যে পানি ছিল জীবনের উৎস, এখন সেই পানিই মানুষের শরীরে বয়ে আনছে নীরব বিপদ। একই সঙ্গে বাড়ছে কৃষিজমির লবণাক্ততা, কমছে ফসল উৎপাদন; যা উপকূলের জনজীবন ও খাদ্যনিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন
বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় জেলাগুলোতে নদীর পানির পাশাপাশি গভীর নলকূপের পানিতেও আশঙ্কাজনক হারে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের তথ্যমতে, ভূগর্ভস্থ ১০০০ থেকে ১২০০ ফুট গভীরতার পানিও এখন নিরাপদ সীমার বাইরে চলে গেছে। এই লবণাক্ত পানি পানের ফলে উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি জটিলতা এবং প্রজনন স্বাস্থ্যসহ নানা দীর্ঘমেয়াদী রোগের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষি জমিতে লবণাক্ততার বিস্তার ঘটায় ফসলের উৎপাদন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা ওই অঞ্চলের খাদ্যনিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। গবেষকরা সতর্ক করেছেন যে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে দক্ষিণাঞ্চলের জনজীবন ও জীবিকা চরম সংকটের সম্মুখীন হবে। বর্তমানে বিভাগের অর্ধেকেরও বেশি চাষযোগ্য জমি লবণাক্ততার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, যা উপকূলীয় অর্থনীতির জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উপকূলীয় অঞ্চলে সুপেয় পানির তীব্র সংকট এবং লবণাক্ততার বিস্তার জনস্বাস্থ্য ও কৃষি অর্থনীতির জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী অস্তিত্বের সংকট তৈরি করছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →