পাখি দেখতে পুটনীর চরে
ফাল্গুনের শেষ ভাগে এক অচেনা দুর্গম চরে গেলাম পাখি দেখতে। এর আগে কখনো এ চরে যাওয়া হয়নি। অজানা এই চরের নাম পুটনীর চর। চরটি আমাদের সুন্দরবনের সীমানার ভেতর। এখানে মানুষের চলাচল নেই বললেই চলে। এমনকি এই চরে বুনো প্রাণীরও কী অবস্থা, তা–ও আমাদের কাছে অজানাই বলে চলে। সুন্দরবনের দক্ষিণ-পশ্চিমের শেষ প্রান্তে বঙ্গোপসাগরের বুকে পুটনীর দ্বীপ জেগে উঠেছে। দুবলার চর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার আর মোংলা থেকে এর দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার। এই চরের পরই শুরু বিশাল সমুদ্র। পুটনীর চর থেকে উত্তর-পশ্
সুন্দরবনের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে ওঠা দুর্গম পুটনীর চরে সম্প্রতি একদল প্রকৃতিপ্রেমী পাখি পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। মোংলা থেকে প্রায় ১১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই নির্জন চরে মানুষের যাতায়াত নেই বললেই চলে, যা একে বন্যপ্রাণী ও পরিযায়ী পাখিদের জন্য এক নিরাপদ আশ্রয়স্থল করে তুলেছে। যাত্রাপথে সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের ঝুঁকি থাকলেও, পথে বড়টিকি পানচিলের মতো বিরল পাখির দেখা পাওয়া যায়। চরে পৌঁছানোর পর সেখানে লাল কাঁকড়া, মাছরাঙা এবং ধলাবুক ইগলের মতো পরিচিত পাখির বিচরণ লক্ষ্য করা গেলেও সৈকত পাখির সংখ্যা প্রত্যাশার চেয়ে কম ছিল। বালুময় ভূপ্রকৃতির কারণে হয়তো সৈকত পাখিরা সেখানে খুব একটা ভিড় করে না। জোয়ার-ভাটার চক্রে চরের পরিবেশ ও পাখির আচরণের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে দলটি তাদের অভিযান শেষ করে। যদিও ফেরার পথে মাঝিদের অসতর্কতায় কিছুটা বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়, তবুও এই অজানা চরের জীববৈচিত্র্য তাদের মুগ্ধ করেছে।
সুন্দরবনের দুর্গম ও জনমানবহীন দ্বীপগুলোতে জীববৈচিত্র্যের অবস্থা এবং পরিযায়ী পাখিদের বিচরণক্ষেত্র সম্পর্কে নতুন তথ্য উন্মোচনের জন্য এই ধরনের অনুসন্ধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →