আওয়ামী লীগ: ‘কামব্যাক’ ও ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’ তত্ত্বের গূঢ় তাৎপর্য
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তিন মাস পার হতে না হতেই নতুন একটি প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক করে তোলার কিছু প্রচেষ্টা চলমান। একদিকে বিগত ১৫ বছরের শাসনামলে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধমূলক ঘটনার বিচারের সম্ভাবনা ক্রমে ফিকে হয়ে আসা, অন্যদিকে জুলাই সনদের ব্যাপারে গণভোটের রায়কে অগ্রাহ্য করা—এ দুই বাস্তবতায় আচমকা আওয়ামী লীগের ‘ফিরে আসা’র বয়ান ও যৌক্তিকতা তৈরিতে কোনো কোনো মহলকে বেশ তৎপর দেখা যাচ
কিছু রাজনৈতিক মহল আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তনের বর্ণনা তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যদিও গত বছরের জুলাই মাসে জনগণ এই দলের বিরুদ্ধে অভূতপূর্ব সমর্থন প্রদর্শন করেছিল। বর্তমান সরকার এবং এর আগের অন্তর্বর্তী সরকার উভয়ই আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে, যা আইনি কাঠামোর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিছু বিশ্লেষক যুক্তি দেন যে দলটিকে নির্বাচনে প্রতিযোগিতা করার সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল, যেমনটি অন্যান্য দেশে ঘটেছে, তবে এই তুলনা বাংলাদেশের অনন্য রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে। বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন যে গণ-অভ্যুত্থানের পর সামাজিক বিভাজন এবং বাস্তবায়নগত চ্যালেঞ্জ স্বাভাবিক, কিন্তু এটি মানে নয় যে পরাজিত শক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিরে আসবে।
এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং সাম্প্রতিক গণ-আন্দোলনের স্থায়িত্ব সম্পর্কে মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →