টিআইবির প্রতিবেদনকে ‘পত্রিকার কাটিং–নির্ভর বলার ভিত্তি নেই’
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রতিবেদন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলেছে, তাদের প্রতিবেদনকে শুধু পত্রিকার ‘কাটিং–নির্ভর’ বলার কোনো ভিত্তি নেই। এই বক্তব্য মূল বিষয়কে পাশ কাটানোর ব্যর্থ প্রয়াস ছাড়া কিছুই নয়। সরকারের ১০০ দিনের কাজের মূল্যায়নে নিজেদের প্রতিবেদন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিক্রিয়া
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখিত অপরাধের পরিসংখ্যানকে কেবল ‘পত্রিকার কাটিং-নির্ভর’ বলে উড়িয়ে দেওয়ার সরকারি প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ আখ্যা দিয়েছে। সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে যে তাদের প্রতিবেদনগুলো নিছক গণমাধ্যমের খবরের ওপর ভিত্তি করে তৈরি নয়, বরং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়। টিআইবি একটি গবেষণা-ভিত্তিক সংগঠন এবং তাদের তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কর্তৃক টিআইবির প্রতিবেদনকে ‘তদন্তবিহীন’ এবং ‘পত্রিকার কাটিং-নির্ভর’ বলার প্রতিক্রিয়ায় টিআইবি জানিয়েছে যে তারা কোনো তদন্ত সংস্থা নয়, বরং দুর্নীতিবিরোধী ও সুশাসন বিষয়ক একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। তারা স্বীকার করেছে যে তারা গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ব্যবহার করে, তবে তা যাচাই-বাছাই এবং অন্যান্য তথ্যের সাথে মিলিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়। টিআইবি প্রশ্ন তুলেছে যে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যদি গণমাধ্যমের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তবে টিআইবির প্রতিবেদনকে কেন এভাবে অবমূল্যায়ন করা হবে।
এই ঘটনাটি সরকারি সংস্থা এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে চলমান বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →