পুরুষের বন্ধ্যত্ব কেন হয়?

📌 Diğer 📰 Prothom Alo (BD) 🕐 3 saat önce
পুরুষের বন্ধ্যত্ব কেন হয়?

বেশির ভাগ সময় সন্তান না হওয়ার জন্য আমাদের সমাজ নারীকেই দোষারোপ করে। অথচ বিশ্বজুড়ে প্রজনন সমস্যায় ভোগা দম্পতিদের প্রায় অর্ধেক ক্ষেত্রেই পুরুষের কোনো না কোনো সমস্যা দায়ী থাকে। বাস্তবে বন্ধ্যত্ব বা ইনফার্টিলিটি নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই সমান হতে পারে। তাই এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। পুরুষের বন্ধ্যত্ব কী কোনো দম্পতি যদি নিয়মিত যৌন সম্পর্কের পরও এক বছরের মধ্যে সন্তান ধারণে ব্যর্থ হন, তখন তাকে বন্ধ্যত্ব বলা হয়। পুরুষের ক্ষেত্রে শুক্রাণুর সংখ্যা, গঠন বা চলাচলের

সন্তান ধারণে ব্যর্থতার জন্য প্রায়শই নারীদের দায়ী করা হলেও, বিশ্বজুড়ে দম্পতিদের প্রায় অর্ধেক ক্ষেত্রে পুরুষদের প্রজনন সমস্যাই মূল কারণ। পুরুষের বন্ধ্যত্ব বলতে বোঝায় এক বছর নিয়মিত যৌন সম্পর্কের পরও সন্তান ধারণে ব্যর্থতা। এটি শুক্রাণুর সংখ্যা, গঠন বা কার্যকারিতার ত্রুটির কারণে হতে পারে, এমনকি যৌন সক্ষমতা স্বাভাবিক থাকলেও।

পুরুষ বন্ধ্যত্বের পেছনে শুক্রাণুর স্বল্পতা (ওলিগোস্পার্মিয়া), দুর্বল শুক্রাণুর গুণগত মান, ভেরিকোসিল (অণ্ডকোষের শিরা ফুলে যাওয়া), হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, মাম্পস বা যৌনবাহিত রোগের মতো সংক্রমণ, জিনগত ত্রুটি এবং জীবনযাত্রার ভুল অভ্যাস যেমন ধূমপান, মদ্যপান, স্থূলতা ও মানসিক চাপ উল্লেখযোগ্য। পরিবেশগত কারণ যেমন কীটনাশক বা রাসায়নিকের সংস্পর্শও শুক্রাণুর মান নষ্ট করতে পারে।

পুরুষ বন্ধ্যত্বের কারণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এই সমস্যা সমাধানে এবং দম্পতিদের সন্তান ধারণের সুযোগ উন্নত করতে সহায়ক।

📌 Kaynak

Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön