হেলিকপ্টারের দুই ক্রু উদ্ধার: যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ব্যবহার করা সি ড্রোনটি আসলে কী
হরমুজ প্রণালিতে গুলি করে ভূপাতিত করা একটি অত্যাধুনিক মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টারের দুই ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি ড্রোন। সমুদ্রে কর্মীদের উদ্ধারে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইতিহাসে এই প্রথম কোনো চালকবিহীন নৌযান বা সি ড্রোন ব্যবহার করা হলো বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া ড্রোনটির নাম ‘সারোনিক করসেয়ার’। ২৪ ফুট (৭.৩ মিটার) দৈর্ঘ্যের এ নৌযান সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে পারে। প্রথাগত সামরিক সরঞ্জামের পাশাপাশি চালকবিহীন
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালিতে একটি অত্যাধুনিক সামরিক হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার পর দুই ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করতে প্রথমবারের মতো একটি সি ড্রোন ব্যবহার করেছে। ‘সারোনিক করসেয়ার’ নামের এই ২৪ ফুট দীর্ঘ স্বয়ংক্রিয় নৌযানটি মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের চালকবিহীন যান ব্যবহারের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ। এই প্রযুক্তিটি মূলত নজরদারি, মাইন শনাক্তকরণ এবং শত্রুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য তৈরি করা হলেও, কিছু ড্রোনকে আক্রমণের জন্যও প্রস্তুত করা হচ্ছে। ইউক্রেন কর্তৃক রাশিয়ার বিরুদ্ধে সি ড্রোনের সফল ব্যবহার এই প্রযুক্তির যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে।
এই ঘটনাটি সমুদ্রে উদ্ধার অভিযানে চালকবিহীন নৌযান ব্যবহারের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে এবং ভবিষ্যৎ সামরিক কৌশলে এর গুরুত্ব নির্দেশ করে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →