বিশ্বকাপ ফুটবলে কতটা ব্যবসা করবে মার্কিন শহরগুলো, ট্রাম্পের নীতি নিয়ে উদ্বেগ
আল- ফিফা বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক ক্রীড়া আসর সাধারণত স্বাগতিক শহরগুলোর জন্য অর্থনৈতিক আশীর্বাদ হিসেবে আসে। পর্যটকের ঢল, হোটেলকক্ষ ভরে যাওয়া, নতুন কর্মসংস্থান ও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড—এসব প্রতিশ্রুতি থেকে এমন প্রত্যাশার জন্ম। কিন্তু এবার টুর্নামেন্ট শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে পরিস্থিতির ভিন্ন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম, প্রত্যাশার চেয়ে হোটেলকক্ষের আগাম সংরক্ষণ কম হওয়া ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিশ্বকাপ ঘিরে বড় ধরনের আর্থিক লাভের প্রত্য
বিশ্বকাপ ফুটবলের মতো বড় ক্রীড়া আসর সাধারণত আয়োজক শহরগুলোর জন্য অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হয়। তবে আসন্ন টুর্নামেন্ট ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলোতে প্রত্যাশিত পর্যটকের ঢল এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। টিকিটের উচ্চমূল্য, হোটেল বুকিং কমে যাওয়া এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এই আশঙ্কার প্রধান কারণ।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি এবং ভিসা প্রক্রিয়াকরণে বিলম্ব বিদেশি দর্শকদের নিরুৎসাহিত করছে। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ব্যয় করার ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে। এই পরিস্থিতি আয়োজক শহরগুলোর অর্থনৈতিক লাভের প্রত্যাশাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
বিশ্বকাপের মতো বড় ইভেন্টগুলো আয়োজক শহরগুলোর অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে, তবে বর্তমান পরিস্থিতি সেই প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক সুফল নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →