মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরা ‘ড্রাগনের মা’–এর চমকে দেওয়া গল্প
এমিলিয়া ক্লার্ককে বিশ্বের কোটি দর্শক চেনেন ‘ড্রাগনের মা’ হিসেবে। কিন্তু পর্দার আড়ালে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধটি ছিল না কোনো কাল্পনিক রাজ্যের জন্য। সেটি ছিল নিজের জীবন বাঁচানোর লড়াই। মাত্র ২২ বছর বয়সে, যখন তাঁর অভিনীত ‘গেম অব থ্রোনস’ বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তুলতে শুরু করেছে, তখনই আচমকা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে (ব্রেন হেমারেজ) আক্রান্ত হন তিনি। এরপর আবার ২৪ বছর বয়সে দ্বিতীয়বারের মতো একই বিপর্যয়ের মুখোমুখি হন। আজ, প্রায় ১৫ বছর পর, এমিলিয়া ক্লার্ক বলছেন—‘বেঁচে যাওয়াই যথেষ্ট নয়, সুস্থ হয়ে
জনপ্রিয় সিরিজ ‘গেম অফ থ্রোনস’-এর ‘ড্রাগনের মা’ খ্যাত অভিনেত্রী এমিলিয়া ক্লার্ক সম্প্রতি নিজের জীবন বাঁচানোর এক ভয়াবহ যুদ্ধের কথা প্রকাশ করেছেন। মাত্র ২২ বছর বয়সে ‘গেম অফ থ্রোনস’ যখন তাকে আন্তর্জাতিক পরিচিতি এনে দিচ্ছিল, তখনই তিনি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে আক্রান্ত হন। এই ঘটনার কয়েক বছর পর তিনি দ্বিতীয়বার একই স্বাস্থ্য সংকটের মুখোমুখি হন।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর, ক্লার্ক স্বীকার করেছেন যে কেবল বেঁচে যাওয়াই যথেষ্ট নয়, বরং সুস্থ হয়ে ওঠাটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার পর দীর্ঘদিন তিনি নিজেকে 'অতিরিক্ত' মনে করতেন এবং এক ধরনের মানসিক চাপ অনুভব করতেন। এই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এবং তার মা ‘সেম ইউ’ নামে একটি দাতব্য সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন, যা মস্তিষ্কে আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন ও মানসিক সহায়তা প্রদান করে।
এই ঘটনাটি জনসম্মুখে আসার ফলে মস্তিষ্কের আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মানসিক ও শারীরিক পুনর্বাসনের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →