ক্ষুদ্রঋণ খাতে নীতিগত সহায়তা দাবি
প্রথম আলো কার্যালয়ে ‘ক্ষুদ্রঋণ খাতের চ্যালেঞ্জ ও প্রত্যাশা: বাজেট ২০২৬-২৭ পরিপ্রেক্ষিত’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এ দাবি জানান। গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা। গতকাল কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে ক্ষুদ্রঋণ খাত। তবে বর্তমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও চড়া সুদের কারণে এই খাত চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। এই সংকট থেকে উত্তরণে আগামী অর্থবছরের বাজেটে ক্ষুদ্রঋণ খাতের জন্য বিশেষ নীতি
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসে ক্ষুদ্রঋণ খাতের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক মন্দা ও উচ্চ সুদের হারের কারণে এই খাতটি নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ক্ষুদ্রঋণ খাতের জন্য বিশেষ নীতিগত ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। প্রথম আলো কার্যালয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এই মতামত ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, তৈরি পোশাক ও প্রবাসী আয়ের মতোই ক্ষুদ্রঋণ খাতকে দেশের অর্থনীতির নতুন চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। এই খাতে প্রচার ও ব্র্যান্ডিংয়ের অভাব রয়েছে এবং ‘এনজিও’ শব্দের পরিবর্তে ‘ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান’ বা ‘এমএফআই’ শব্দ ব্যবহার করার ওপর জোর দেন তারা।
ক্ষুদ্রঋণ খাত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং এর জন্য নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করা হলে তা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →