যত বাধাই আসুক, আমি আমার মেয়েকে অবশ্যই শিক্ষিত করব
খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট্ট গ্রাম ঘুঘরাকাটিতে বাস করেন ৩১ বছর বয়সী মাকসুদা খাতুন। গ্রামের অনেক বিবাহিত নারীর মতো তিনি শুধু একজন ‘স্ত্রী’ পরিচয়ে পরিচিত নন; বরং গর্বের সঙ্গে নিজেকে পরিচয় দেন একজন মা হিসেবে। কন্যাসন্তানের জন্ম দেওয়ার কারণে তাঁর স্বামী তাঁকে ত্যাগ করেন। সেই থেকে একাই নিজের মেয়েকে বড় করে তোলার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। নিয়মিত আয়ের কোনো উৎস না থাকায় শুরুতে তিনি বাড়ির আশপাশে ছোট পরিসরে গবাদিপশু পালন করতেন। সেই আয়
মাকসুদা খাতুন, খুলনার কয়রা উপজেলার একজন মা, যিনি স্বামীর দ্বারা পরিত্যক্ত হওয়ার পর একা মেয়েকে বড় করছেন। গবাদিপশু পালন ও সবজি চাষে ব্যর্থ হওয়ার পর, তিনি একটি সরকারি-বেসরকারি প্রকল্পে যুক্ত হন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে হাইড্রোপনিকস চাষ শিখে তিনি ও তার দল 'গোলাপ' লবণাক্ততা ও প্রতিকূল পরিবেশ সত্ত্বেও সফলভাবে সবজি উৎপাদন করছেন। প্রকল্পের সহায়তায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা পাওয়ায় তিনি এখন আয়বর্ধক কাজে বেশি সময় দিতে পারছেন।
মাকসুদা এখন তার মেয়েকে উচ্চশিক্ষিত করে স্বাবলম্বী করার স্বপ্ন দেখেন এবং এজন্য তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বিশ্বাস করেন, তার মেয়ে একদিন তার মতো অসহায় নারীদের পাশে দাঁড়াতে পারবে।
এই গল্পটি জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে নারীদের ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার একটি অনুপ্রেরণাদায়ক উদাহরণ।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →