বজ্রপাত: মেঘের রাজ্যে বিদ্যুতের রূপকথা
অনেক দূরে নয়, যেন ঠিক আমাদের মাথার ওপরেই বিস্তৃত আছে এক বিশাল নীল রাজ্য, যার নাম আকাশ। দিনের বেলা সেখানে ভেসে বেড়ায় তুলোর মতো সাদা সাদা মেঘের ভেলা। আর বর্ষাকালে সেই মেঘগুলো কখনো কখনো রূপ নেয় বিশাল কালো দুর্গে। দূর থেকে দেখতে শান্ত মনে হলেও, সেই মেঘের ভেতরে চলতে থাকে এক অদৃশ্য যুদ্ধ। বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন, মেঘের ভেতরে যখন বরফকণা, শিলাখণ্ড এবং পানির ফোঁটা একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খায়, তখন বৈদ্যুতিক চার্জ তৈরি হয়। সাধারণত মেঘের ওপরের অংশে ধনাত্মক (+) চার্জ এবং নিচের অংশে ঋণাত
বজ্রপাত হলো মেঘের মধ্যে বরফকণা, শিলাখণ্ড এবং পানির ফোঁটার সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট বৈদ্যুতিক চার্জের আকস্মিক নির্গমন। মেঘের উপরের অংশে ধনাত্মক এবং নিচের অংশে ঋণাত্মক চার্জ জমা হওয়ার পর, চার্জের পার্থক্য অত্যাধিক বেড়ে গেলে বায়ুর অন্তরক ক্ষমতা ভেঙে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। এই বিপুল বৈদ্যুতিক স্রোত আকাশ চিরে আলোকরশ্মি রূপে নেমে আসে। বজ্রপাতের সময় বাতাসের তাপমাত্রা প্রায় ৩০ হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রার চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি। এই তাপে বাতাস প্লাজমায় পরিণত হয় এবং আলো উৎপন্ন করে। আলোর গতি শব্দের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় আমরা বজ্রপাতের আলো আগে দেখি এবং পরে শব্দ শুনি।
বজ্রপাত একটি প্রাকৃতিক ঘটনা যা বায়ুমণ্ডলের বৈদ্যুতিক শক্তি নির্গমনের মাধ্যমে ঘটে এবং এর ফলে সৃষ্ট রাসায়নিক বিক্রিয়া মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →