শিক্ষার্থীর শেখা ও স্কুলে অর্থায়ন: বদলের সময় এখন

📌 Diğer 📰 Prothom Alo (BD) 🕐 5 saat önce
শিক্ষার্থীর শেখা ও স্কুলে অর্থায়ন: বদলের সময় এখন

একটা শিশুর মুখের কথা মনে পড়ছে। চট্টগ্রামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম কয়েক বছর আগে। তৃতীয় শ্রেণির এক মেয়ে বলছিল, ‘স্যার, লাইব্রেরিতে গল্পের বই থাকলে আমি প্রতিদিন পড়তাম।’ লাইব্রেরি নেই। গল্পের বই নেই। স্কুলের জন্য বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনায় (এসএলআইপি) বরাদ্দ আছে, কিন্তু সেই টাকায় গল্পের বই কেনার নিয়ম নেই। নিয়ম বলছে অন্য কিছু কিনতে। এই একটা গল্পে এসএলআইপির পুরো সংকটের চিত্র আমাদের সামনে চলে আসে। স্কুলকে বলা হয়েছে তোমার উন্নতির পরিকল্পনা করো। কিন্তু কী

বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা খাতে School Level Improvement Plan (SLIP) এর মাধ্যমে বরাদ্দকৃত অর্থ শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছাতে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। ঢাকা থেকে নির্ধারিত নিয়মকানুন এবং ভ্যাট, আয়কর ও পরিবহন খরচের মতো কর্তনের কারণে বিদ্যালয়ের প্রকৃত ব্যবহারযোগ্য অর্থের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকদের ব্যক্তিগত অর্থায়নে ঘাটতি পূরণ করতে হয়, যা একটি অন্যায্য ব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরে।

গবেষণায় দেখা গেছে, SLIP-এর মূল উদ্দেশ্য সামাজিক অংশগ্রহণও সেভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি ও অভিভাবক-শিক্ষক সমিতিগুলো মূলত আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ রয়েছে এবং বেশিরভাগ অভিভাবক এই পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত নন। ফলে, অর্থায়ন ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা এবং গুণগত মান উন্নয়নে কার্যকর সম্প্রদায় অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এই সমস্যাগুলো বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং সুষ্ঠু অর্থায়ন ব্যবস্থার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

📌 Kaynak

Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön