পশ্চিমবঙ্গে মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করলেন শুভেন্দু অধিকারী, কে কোন দপ্তর পেলেন
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার সদস্যদের দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে। আজ রাজ্য সচিবালয় নবান্ন থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রীদের এই দপ্তর বণ্টন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বরাষ্ট্র, আইন ও বিচার, ভূমি ও ভূমি রাজস্ব, বিদ্যুৎ, তথ্য ও সংস্কৃতি, উদ্বাস্তু, ত্রাণ ও পুনর্বাসন, পার্বত্য বিষয় ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তরের দায়িত্ব নিজের কাছে রেখেছেন। নবান্নের বিজ্ঞপ্তিতে আজ মন্ত্রিসভার বাকি সদস্যদের দপ্তর জানানো হয়। অর্থমন্ত্রী হয়েছেন স্বপন
পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেছেন। রাজ্য সচিবালয় নবান্ন থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই দপ্তর বণ্টন চূড়ান্ত করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী নিজে স্বরাষ্ট্র, আইন, ভূমি, বিদ্যুৎ, তথ্য ও সংস্কৃতি সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব নিজের কাছে রেখেছেন। স্বপন দাশগুপ্ত অর্থমন্ত্রী হয়েছেন, তাপস রায় শিল্প ও বাণিজ্য, এবং শারদ্বত মুখোপাধ্যায় স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন। বিভিন্ন মন্ত্রীদের মধ্যে শিক্ষা, পরিবহন, কৃষি, নারী ও শিশু কল্যাণ, পর্যটন, বন, সেচ, জনস্বাস্থ্য, এবং প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন সহ অন্যান্য দপ্তরেরও বণ্টন করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীদেরও বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে আদিবাসী উন্নয়ন, উচ্চশিক্ষা, পরিবহন, কৃষি বিপণন, পূর্ত, স্বরাষ্ট্র, খাদ্য ও সরবরাহ, শিল্প ও বাণিজ্য, সংসদীয় বিষয়, তথ্য ও সংস্কৃতি, স্কুলশিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, সমবায়, এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও, কলিতা মাঝিকে আবাসন দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যিনি পূর্বে গৃহপরিচারিকা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এর আগে, ৯ মে শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং তাঁর সঙ্গে আরও পাঁচজন মন্ত্রী শপথ নেন, যাদের মধ্যে দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু রয়েছেন। বিজেপি বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে সরকার গঠন করেছে।
পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামো এবং নীতি নির্ধারণের প্রাথমিক পর্যায় নির্দেশ করে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →