বাক্স্বাধীনতার ধ্বজাধারী পশ্চিমারা ফিলিস্তিন প্রশ্নে কেন চুপ
ইতিহাস কখনো কখনো এমন নির্মম বিদ্রূপ করে, যা কল্পনাকেও হার মানায়। ‘স্যাটানিক ভার্সেস’ বিতর্কের সময় বাক্স্বাধীনতার পক্ষে যেভাবে পশ্চিমা দুনিয়া সোচ্চার হয়েছিল কিংবা ‘জ্য সুই শার্লি’ স্লোগানের মাধ্যমে মতপ্রকাশের অধিকারের প্রতি যে একাত্মতা দেখানো হয়েছিল—তা আজও অনেকের মনে গেঁথে আছে। তখন বলা হয়েছিল, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিঃশর্ত, আপসহীন। এমনকি কারও অনুভূতিতে আঘাত লাগলেও সেই স্বাধীনতা খর্ব করা যাবে না। ভলতেয়ারের নামে প্রচলিত সেই বিখ্যাত উক্তি—‘তোমার কথার সঙ্গে আমি একমত নই, কিন্তু তোম
পশ্চিমা দেশগুলো, যারা বাকস্বাধীনতার পক্ষে সোচ্চার থাকার দাবি করে, ফিলিস্তিন ইস্যুতে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে। অতীতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে নিঃশর্ত বলে দাবি করলেও, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের পর তারা এই স্বাধীনতার সীমা টানতে চাইছে। যুক্তরাজ্যে 'প্যালেস্টাইন অ্যাকশন' সংগঠনকে সন্ত্রাসী ঘোষণা করা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ প্ল্যাকার্ড হাতে নিলেও গ্রেপ্তার হচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রেও ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের হয়রানি, জিজ্ঞাসাবাদ ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটছে। এমনকি মতামত প্রকাশের কারণেও অনেককে আইনি জটিলতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
এই পরিবর্তন পশ্চিমা দেশগুলোর ঘোষিত উদার গণতন্ত্রের আদর্শ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক, যা আন্তর্জাতিকভাবে তাদের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →