প্রস্তাবিত আইনে মানবাধিকার কমিশন ‘সরকারের কর্তৃত্বাধীন’ হবে: টিআইবি
প্রস্তাবিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া পাস হলে কমিশন ‘সরকারের কর্তৃত্বাধীন’ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি এ উদ্বেগের কথা জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি বলেছে, গত ১৭ মে সরকার আইনটির যে খসড়া তৈরি করেছে, তাতে ২০২৫ সালের অধ্যাদেশের তুলনায় বেশ কিছু মৌলিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। এসব পরিবর্তন প্যারিস নীতিমালাসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আইনটি চূড
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) প্রস্তাবিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। টিআইবি মনে করে, নতুন খসড়াটি পূর্বের অধ্যাদেশের তুলনায় মৌলিক পরিবর্তন এনেছে যা প্যারিস নীতিমালাসহ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশেষ করে, কমিশনকে সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন করার সুযোগ তৈরি এবং কমিশনার নিয়োগ প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সংস্থাটি।
টিআইবি আইনটি চূড়ান্ত করার আগে সকল অংশীজনকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে এবং ১৯ দফা সুপারিশ পেশ করেছে। তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আটকস্থল পরিদর্শনের ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা সংকুচিত করার ধারা বাতিলের দাবি জানিয়েছে। সংস্থাটি আরও বলেছে, এই দুর্বলতার কারণেই বাংলাদেশের মানবাধিকার কমিশন আন্তর্জাতিকভাবে ‘এ’ ক্যাটাগরির মর্যাদা পায়নি।
এই আইনটি মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী ও স্বাধীনভাবে কাজ করতে বাধা দিতে পারে, যা দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলবে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →