সব টার্মিনাল চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং অর্ধদিনে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে

📌 Diğer 📰 Prothom Alo (BD) 🕐 4 saat önce
সব টার্মিনাল চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং অর্ধদিনে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে

চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বাড়াতে এবং জাহাজ এসে পণ্য খালাস করে ফিরে যাওয়া পর্যন্ত সময় (টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম) কমাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, বর্তমানে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে গড়ে প্রায় ২ দশমিক ১ দিন সময় লাগছে। তবে পরিকল্পিত সব টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা গেলে ২০২৯ সালের মধ্যে এ সময় অর্ধদিনে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে সব কনটেইনার টার্মিনাল চালু হলে বন্দরের সামগ

চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সময় অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, ২০২৯ সালের মধ্যে সব টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে জাহাজের পণ্য খালাস ও ফেরত যাওয়ার গড় সময় বর্তমানের ২.১ দিন থেকে কমে অর্ধদিনে নেমে আসবে। ২০৩০ সালের মধ্যে সব কনটেইনার টার্মিনাল চালু হলে বন্দরের সামগ্রিক জট নিরসন হবে এবং এটি সিঙ্গাপুর ও কলম্বোর মতো দক্ষতা অর্জন করবে।

বর্তমানে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল চালু হওয়ায় জাহাজের অপেক্ষমাণ সময় শূন্যে নেমে এসেছে। লালদিয়া টার্মিনাল উন্নয়নের কাজ চলছে এবং বে টার্মিনাল পরিচালনার জন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, চট্টগ্রাম বন্দর একটি ফিডার পোর্ট হওয়ায় ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরগুলোর তুলনায় এখানে কাস্টমস পরীক্ষা ও ক্লিয়ারেন্সসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়, যা টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম কিছুটা বাড়িয়ে দেয়।

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম কমানো বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের গতি বাড়াতে এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহ শৃঙ্খলে দেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

📌 Kaynak

Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön