চাকরি–যাপন: নাইন-টু-ফাইভের আড়ালে ২৪ ঘণ্টার অদৃশ্য ঘেরাটোপ
কাগজে-কলমে ঢাকার করপোরেট অফিসগুলোর সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা। কিন্তু ডিজিটাল ওভারলোড এবং সার্বক্ষণিক ‘কানেক্টেড’ থাকার বাধ্যবাধকতা এই সময়সীমাকে বিলুপ্ত করেছে। বিকেল পাঁচটার অফিস এখন ড্রয়িংরুম ছাড়িয়ে মানুষের মগজে স্থায়ী নোঙর ফেলেছে। ২০২৬ সালের তীব্র প্রতিযোগিতামূলক বাজারে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, পারফরম্যান্সের চাপ এবং ছাঁটাইয়ের আতঙ্ক কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্যকে একবারে প্রান্তিক পর্যায়ে নিয়ে ঠেকেছে। একটি ক্যাফেতে বসা তিন চেনা করপোরেট চরিত্রের বাস্তব যাপন ও মানসিক সংকট বিশ্লেষণ ক
ঢাকার কর্পোরেট জগতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাজের সময়সীমা এখন কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ। ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার এবং সার্বক্ষণিক সংযুক্ত থাকার বাধ্যবাধকতা কর্মীদের ২৪ ঘণ্টা কর্মক্ষেত্রের মধ্যে আবদ্ধ করে রেখেছে। এর ফলে, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, কর্মক্ষমতার চাপ এবং চাকরি হারানোর ভয় তরুণ পেশাজীবীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর গভীর প্রভাব ফেলছে।
অনিক, দিবা এবং বাঁধন—এই তিন কর্মীর অভিজ্ঞতা এই অদৃশ্য মানসিক চাপকে স্পষ্ট করে তোলে। অনিক, একজন টিম লিডার, অতিরিক্ত কাজের চাপ এবং সার্বক্ষণিক নজরদারির কারণে তীব্র উদ্বেগে ভুগছেন। মা হওয়ার পর দিবা, একজন ব্যাংক কর্মকর্তা, কর্মজীবী মায়েদের দ্বিগুণ চাপের সম্মুখীন হচ্ছেন। অন্যদিকে, বাঁধন চাকরি হারানোর ভয়ে কর্মক্ষেত্রের মানসিক নিপীড়ন সহ্য করছেন।
কর্মক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্যের এই অবনতি কর্মীদের উৎপাদনশীলতা এবং সামগ্রিক সুস্থতার উপর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যা ব্যক্তি ও সমাজ উভয়ের জন্যই উদ্বেগের বিষয়।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →