করছাড় ও করের আওতা বৃদ্ধি: নতুন বাজেটের দ্বিমুখী নীতি
আগামী অর্থবছরের বাজেটে করছাড়ের ছড়াছড়ি আছে। সৃজনশীল অর্থনীতি সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিভিন্ন খাতের উদ্যোক্তাদের শুল্ক-করে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। কর ছাড় দিয়ে করের আওতা বাড়ানোর উদ্যোগ থাকছে বাজেটে। আবার করদাতা ও উদ্যোক্তাদের ওপর কর বসিয়ে কিংবা করজালের আওতায় আনার বাধ্যবাধকতার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। যেমন ব্যাংক হিসাব খুলতে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) থাকতে হবে, খুচরা বিক্রেতাদের মালামাল কেনার সময় উৎসে কর বসানো হতে পারে। এতে সাধারণ করদাতা ও ছোট ব্যব
আগামী অর্থবছরের বাজেটে সৃজনশীল অর্থনীতি এবং বিভিন্ন খাতের উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে করছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। সংগীত, সিনেমা, ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রীসহ কিছু খাতে শুল্ক ও কর ছাড় দেওয়া হবে। এছাড়া, করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতিও থাকছে।
অন্যদিকে, করের আওতা বাড়াতে সরকার কিছু কঠোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে, যদিও শিক্ষার্থী ও কিছু বিশেষ হিসাবের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হতে পারে। খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে পণ্য কেনার সময় অগ্রিম কর সংগ্রহের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা ছোট ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
এই বাজেট কর ছাড়ের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি করের আওতা বাড়িয়ে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণের চেষ্টা করছে, যা অর্থনীতিতে মিশ্র প্রভাব ফেলতে পারে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →