কক্সবাজারে বিষমুক্ত শুঁটকি উৎপাদনে নতুন পদ্ধতি
বাজারে পাওয়া যাওয়া অধিকাংশ শুঁটকিতে রয়েছে কীটনাশকসহ নানা ধরনের রাসায়নিক। এ কারণে নিরাপদ শুঁটকি খুঁজতে অনেককেই গলদঘর্ম হতে হয়। কক্সবাজার উপকূলে প্রতিবছর প্রায় ৬০০ কোটি টাকার শুঁটকি উৎপাদিত হলেও গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন আছে। এ ছাড়া অনেক শুঁটকিতে রাসায়নিকের অস্তিত্বও পাওয়া যায়। তবে কক্সবাজার সৈকত খনিজ বালি আহরণ কেন্দ্রের পরমাণু গবেষকেরা নিরাপদ শুঁটকি উৎপাদনের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। সোনাদিয়া দ্বীপে বাণিজ্যিকভাবে এমন শুঁটকি উৎপাদনে সাফল্যও এসেছে। শুঁটকির মূল শত্রু হিসেবে ‘ব্লোফাই’(নী
কক্সবাজার উপকূলে রাসায়নিকমুক্ত ও স্বাস্থ্যকর শুঁটকি উৎপাদনের একটি নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়েছে। পরমাণু গবেষকেরা ‘ব্লোফাই’ নামক মাছির লার্ভা থেকে শুঁটকিকে বাঁচাতে ব্যবহৃত কীটনাশকের বিকল্প হিসেবে একটি প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন। এই পদ্ধতিতে গামা রশ্মি ব্যবহার করে পুরুষ মাছিকে বন্ধ্যা করা হয়, ফলে তারা বংশবৃদ্ধি করতে পারে না এবং শুঁটকিতে ডিম পাড়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সোনাদিয়া দ্বীপে এই পদ্ধতির বাণিজ্যিক উৎপাদনে সাফল্য এসেছে। প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের একটি অত্যাধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়, যা মাছির বংশবৃদ্ধি রোধ করে শুঁটকিকে সম্পূর্ণ নিরাপদ করে তোলে। এই প্রযুক্তি খাদ্য অপচয় রোধ এবং মানসম্মত শুঁটকি রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও সহায়ক হতে পারে।
এই উদ্ভাবনটি ভোক্তাদের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের শুঁটকি শিল্পকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →