বোনাস লাইফ
আমাদের যৌথ পরিবার। আমার আব্বা ও ফুফু। দুই ভাই–বোন। আরও দুই ভাই–বোন ছিলেন। গত শতকের বিশের দশকে কলেরায় ওনারা মারা যান। আব্বা ছোট। ফুফু বড়। আব্বার বয়স যখন তিন কি চার, তখন আমার দাদা মারা যান। বিশাল তালুকদারি তদারকি আমার দাদির পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। তাই আমার ফুফুকে বিয়ে দিয়ে ফুফাকে ঘরজামাই হিসেবে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসেন। গোটা সংসারের গৃহস্থালির দায়িত্ব ফুফার ওপর বর্তায়। তিনি আব্বাকে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার জন্য তাগিদ দেন। ফুফা আমৃত্যু আব্বাকে গৃহস্থালি কোনো কাজে সম্পৃক্ত করে
বিংশ শতাব্দীর শুরুতে এক যৌথ পরিবারে বেড়ে ওঠা এক শিশুর স্মৃতিচারণায় উঠে এসেছে মায়ের আত্মনির্ভরশীলতার স্বপ্ন। শহুরে পটভূমি থেকে আসা মা গ্রামীণ জীবনে মানিয়ে নিয়ে নিজের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য হাঁস-মুরগি পালনের উদ্যোগ নেন। তবে, ২৫-৩০ জনের সংসার সামলানো এবং রান্নার পাশাপাশি হাঁসের বাচ্চার খাবার জোগাড় করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।
মায়ের এই অক্লান্ত পরিশ্রম ও দুশ্চিন্তা দেখে শিশুটি তার সাধ্যমতো মায়ের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করত। সে নিজে ঘর গোছানো থেকে শুরু করে হাঁসের বাচ্চার জন্য কচুরিপানা, শামুক ও ছোট মাছ সংগ্রহ করে আনত। এই ছোট ছোট কাজগুলোর মাধ্যমে সে মাকে খুশি করতে এবং তার স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করতে চাইত।
এই স্মৃতিচারণটি যৌথ পরিবারের প্রেক্ষাপটে নারীর কর্মপ্রচেষ্টা, পারিবারিক বন্ধন এবং সন্তানের ভালোবাসা ও সহায়তার এক হৃদয়স্পর্শী চিত্র তুলে ধরে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →