তারকাদের ইটিং ডিজঅর্ডার: কিছু মৃত্যুও হয়েছে
অ্যানোরেক্সিয়া ও বুলিমিয়া—দুটিই ভয়ানক ইটিং ডিজঅর্ডার। ফ্যাশন ও বিনোদন জগতের বহু তারকা দীর্ঘ সময় এসব রোগে ভুগেছেন। অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা কেবল ‘ডায়েটিং’ নয়; এটি একটি জটিল মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা। যেখানে একজন ব্যক্তি ডায়েট করতে করতে খাবার খাওয়া এতটাই কমিয়ে দেন যে খাওয়া নিয়ে তাঁর ভেতরে ভীতি কাজ করে। ওজন অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়। অন্যদিকে বুলিমিয়ায় জোরপূর্বক কম খাওয়ার চাপের কারণেই অনেক সময় ভারসাম্য ও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অতিরিক্ত খাবার খেয়ে ফেলা হয়। খাওয়ার পর অত্যন্ত অপরাধবোধ কাজ
অ্যানোরেক্সিয়া ও বুলিমিয়ার মতো ভয়াবহ ইটিং ডিজঅর্ডারে ভুগছেন অনেক তারকা। এই মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাগুলোতে ব্যক্তি খাবার গ্রহণ এতটাই সীমিত করে ফেলেন যে তা ভীতিতে পরিণত হয়, যার ফলে ওজন অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়। অন্যদিকে, বুলিমিয়ায় অতিরিক্ত খাওয়ার পর অপরাধবোধ থেকে অস্বাস্থ্যকর উপায়ে তা পুষিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
বেশ কিছু আন্তর্জাতিক তারকা সাহসের সাথে তাদের এই রোগের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন, যা সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে। লিলি কলিন্স, জেন ফন্ডা, লেডি গাগা, জো ক্রাভিটস, প্রিন্সেস ডায়ানাসহ অনেকেই এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। দুঃখজনকভাবে, ক্যারেন কারপেনটার এবং আনা ক্যারোলিনার মতো তারকারা অ্যানোরেক্সিয়ার জটিলতায় মারা গেছেন।
ইটিং ডিজঅর্ডার একটি গুরুতর মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা যা বিশ্বজুড়ে অনেক মানুষকে প্রভাবিত করে, এবং এই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →