আমেরিকান বিশ্বকাপ: মেক্সিকো-কানাডার চেয়েও বেশি আয়োজক
আমেরিকা ৭৫ শতাংশ ম্যাচের আয়োজক বলেই নয়, এই বিশ্বকাপের পদে পদেই ‘আমেরিকানীকরণ’ ঘটেছে। মুক্তবাজার অর্থনীতির লীলাভূমিতে টিকিটের দাম ছুঁয়েছে সর্বকালের রেকর্ড। রেকর্ড তো বিশ্বকাপে অনেকই হবে। তবে একটা রেকর্ড বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হয়ে যাচ্ছে। সেই রেকর্ডটা কে করবে, জানেন? কোনো খেলোয়াড় নয়, কোনো দল নয়। আজতেকা স্টেডিয়াম! অনন্য সেই রেকর্ডটা কী, তা কি আপনার জানা আছে? জানা থাকলে তো হলোই। জানা না থাকলে আপনার উৎসুক মনকে জানাই, বিশ্বকাপ ফুটবল ইতিহাসে এই প্রথম তৃতীয়বারের মতো বিশ্বক
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ কেবল মেক্সিকো ও কানাডার আয়োজক হিসেবেই নয়, বরং এর প্রতিটি পর্যায়ে আমেরিকান প্রভাব স্পষ্ট। মুক্তবাজার অর্থনীতির কারণে এবার টিকিটের দাম সর্বকালের রেকর্ড ভেঙেছে। মেক্সিকো সিটি-র আজতেকা স্টেডিয়াম একটি নতুন রেকর্ড গড়তে চলেছে, যা হবে স্টেডিয়ামটির তৃতীয় বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচের আয়োজক। এর আগে ১৯৭০ ও ১৯৮৬ সালে এই স্টেডিয়াম উদ্বোধনী ম্যাচের সাক্ষী ছিল, যেখানে দুটি ম্যাচই ড্র হয়েছিল।
মেক্সিকো তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজনের গৌরব অর্জন করছে, যা দেশটির জন্য এক বিরাট উৎসবের উপলক্ষ। যদিও আমেরিকা ৭৫ শতাংশ ম্যাচের আয়োজক, এই টুর্নামেন্ট মেক্সিকোর ফুটবল সংস্কৃতি ও উৎসবমুখরতার এক বড় প্রদর্শনী। মেক্সিকানদের কাছে ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়, এটি একটি মহোৎসব, যার প্রতিফলন দেখা যায় বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া 'মেক্সিকান ওয়েভ'-এর মতো জনপ্রিয়তায়।
এই বিশ্বকাপ কেবল একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, এটি আয়োজক দেশগুলোর অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর গভীর প্রভাব ফেলে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →