বিশ্বকাপের আনন্দ রহিম কাকার চায়ের দোকানে

📌 Diğer 📰 Prothom Alo (BD) 🕐 2 saat önce
বিশ্বকাপের আনন্দ রহিম কাকার চায়ের দোকানে

গ্রামের বাজারের শেষ মাথায় রহিম কাকার ছোট্ট চায়ের দোকানটি ছিল আমাদের রাতজাগা স্বপ্নের ঠিকানা। বিশ্বকাপ এলেই দোকানে চালু হতো একটি পুরোনো টেলিভিশন। বাঁশের খুঁটিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হতো অ্যানটেনা। টেলিভিশনের দৃশ্যগুলো কখনো ঝাপসা হতো, কখনো অ্যানটেনা নড়লে পর্দা ভরে যেত দানাদার রেখায়। তবু আমাদের উৎসাহে কোনো ঘাটতি ছিল না। আমি তখন কলেজের ছাত্র। রাতের খাবার খেয়েই বন্ধুদের সঙ্গে ছুটে যেতাম সেখানে। কেউ বেঞ্চে বসত, কেউ দাঁড়িয়ে থাকত, কেউ আবার দোকানের সামনে ইটের ওপর বসে খেলা দেখত। রহিম কাকা এক হ

একসময় গ্রামের বাজারে রহিম কাকার চায়ের দোকানে পুরোনো টেলিভিশনে বিশ্বকাপ দেখার স্মৃতিচারণ করা হয়েছে। কলেজের ছাত্র থাকাকালীন, বন্ধুরা মিলে সেখানে খেলা দেখতেন। রহিম কাকা এক হাতে চা বানাতেন এবং অন্য হাতে টিভির অ্যান্টেনা ঠিক করতেন, খেলার উত্তেজনায় তিনি নিজেও খেলার অংশ হয়ে যেতেন। একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পছন্দের দলের গোলের পর উল্লাসে ফেটে পড়া জনতা এবং সেই মুহূর্তে কেটলি ফেলে দেওয়া রহিম কাকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বলেছিলেন, 'কেটলি ভাঙলে কেটলি কেনা যায়, কিন্তু জীবনে এমন গোল কয়বার দেখা যায়?'

পনেরো বছর পর, সেই চায়ের দোকান বা রহিম কাকা আর নেই। এখন বড় পর্দায় খেলা দেখা গেলেও, সেই পুরোনো দিনের মতো আনন্দ আর পাওয়া যায় না। লেখকের মতে, তারা শুধু খেলা দেখতে যেতেন না, বরং একসঙ্গে আনন্দ খুঁজে পেতেন। বন্ধুদের সঙ্গ, গরম চা এবং রহিম কাকার সরল উচ্ছ্বাস সেই রাতগুলোকে জাদুকরী করে তুলত।

এই লেখাটি পুরনো দিনের সাধারণ মানুষের মধ্যে খেলা দেখার আনন্দ এবং সামাজিক বন্ধনের এক অকৃত্রিম চিত্র তুলে ধরে, যা বর্তমানের যান্ত্রিক জীবনে হারিয়ে যাচ্ছে।

📌 Kaynak

Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön