চার তরুণকে রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে পাচারের অভিযোগ
ভালো বেতনের চাকরির কথা বলে ৮ মে তাঁদের মস্কোতে পাঠানো হয়। সেখানে তাঁদের পাসপোর্ট, ভিসা ও মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। লালমনিরহাটের পাটগ্রামের চার বন্ধু। পরিবারে সচ্ছলতা ফেরাতে ধারদেনা করে রাশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের ঠাঁই হয়েছে দেশটির এক অজ্ঞাত যুদ্ধশিবিরে। ঢাকার উত্তরার আরএস ইন্টারন্যাশনাল নামের রিক্রুটিং এজেন্সি পোশাক কারখানা ও আইটি ফার্মে চাকরি দেওয়ার নামে তাঁদের রাশিয়ার এক ‘ভাড়াটে যুদ্ধ বাহিনীর’ কাছে বিক্রি করে দিয়েছে বলে অভিযোগ। ওই চার তরুণ হলেন টেপুরগাড়ি এলাকার ন
ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লালমনিরহাটের পাটগ্রামের চার তরুণকে রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছিল। মস্কোতে পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট, ভিসা ও মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। পরে জানা যায়, তাদের একটি অজ্ঞাত যুদ্ধশিবিরে রাখা হয়েছে এবং যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে তাদের একটি ভাড়াটে যুদ্ধ বাহিনীর কাছে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো অর্থ জোগাড় করতে জমি বন্ধক ও ঋণ নিয়েছে। তারা সরকারের কাছে সন্তানদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার আকুতি জানিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এই ঘটনাটি বিদেশে চাকরিপ্রত্যাশী তরুণদের প্রতারিত হওয়া এবং মানব পাচারের একটি গুরুতর দিক তুলে ধরে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও উদ্বেগের কারণ।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →