ফুটবল বিশ্বকাপের জন্মকথা
শুধু রাত গড়ানোর অপেক্ষা। এরপরেই মাঠে গড়াবে ফুটবল বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের ২৩তম আসর বসতে যাচ্ছে তিন দেশে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে যৌথ আয়োজনের এ এক অনন্য রেকর্ড। তবে আজকের গল্পটা বিশ্বকাপের ২৩তম আসর নিয়ে নয়। বরং বিশ্বকাপের আগের গল্প। বিশ্বকাপের সর্বজনীন হয়ে ওঠার গল্প। বিশ্বকাপের সূচনা খুঁজতে আমাদের পাড়ি দিতে হবে বিংশ শতাব্দীর একদম শুরুতে—১৯০০ সালে অনুষ্ঠিত অলিম্পিকের দ্বিতীয় আসরে। প্যারিসে অনুষ্ঠিত সে আসরে প্রথমবারের মতো ‘আন অফিশিয়াল স্পোর্টস’ হিসেবে জায়গা করে নেয় ফুটবল। অলিম্পিকে ফুটবল
বিশ্বকাপের ২৩তম আসর শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে, যা এই টুর্নামেন্টের যৌথ আয়োজনের এক নতুন রেকর্ড গড়বে। তবে এর পেছনের গল্প আরও অনেক পুরনো। ১৯০০ সালের প্যারিস অলিম্পিকে ফুটবল প্রথম 'আন অফিশিয়াল স্পোর্টস' হিসেবে পরিচিতি পায়। এর সাফল্য দেখে ১৯০৪ সালে সাতটি দেশ মিলে ফিফা প্রতিষ্ঠা করে।
প্রাথমিকভাবে ফিফার নিজস্ব টুর্নামেন্টের পরিকল্পনা থাকলেও তা ব্যর্থ হয়। ১৯০৫ সালে ইংল্যান্ডের যোগদানের পর ফিফার সদস্য সংখ্যা বাড়ে এবং টুর্নামেন্টের স্বপ্ন আরও জোরালো হয়। ১৯০৯ সালে স্যার থমাস লিপটন আয়োজিত 'লিপটন ট্রফি' টুর্নামেন্টকে অনেকেই ফুটবলের প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা হিসেবে গণ্য করেন, যা আজকের বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো বড় আসরের পথ খুলে দেয়।
বিশ্বকাপের মতো একটি বৈশ্বিক ক্রীড়া আসরের জন্ম ও বিবর্তন সম্পর্কে জানা খেলাটির ইতিহাস ও তাৎপর্য অনুধাবনে সাহায্য করে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →