বিশ্বকাপের একাল–সেকাল
আমি প্রায়ই বলি, ফুটবল–ভক্তদের খেলাটার সঙ্গে যে মানসিক সম্পৃক্ততা, তা অনেকটা উচ্চাঙ্গসংগীতের সাধকদের মতো। তাঁরা যখন খেলায় ডুবে যান, তখন বাইরের জগতের কোনো হুঁশ থাকে না। বিশ্বকাপে দল বাড়ছে। এই বিবর্তনকে আমি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখি। ফিফা ফুটবলকে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার যে চিন্তা করেছে, সেটাকে সাধুবাদ জানাই। ফুটবল আসলে এমনই এক খেলা, যা শুরু হলে দেশের কোটি কোটি মানুষের মধ্যে দারুণ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আমার তো মাঝেমধ্যে মনে হয়, খেলার এ সময়টাতে সমাজে অপরাধের হারও অনেক কমে যায়
ফুটবলপ্রেমীদের খেলাটির প্রতি গভীর মানসিক সংযোগকে উচ্চাঙ্গসংগীতের সাধকদের সঙ্গে তুলনা করেছেন লেখক। তিনি মনে করেন, ফিফা বিশ্বকাপের সম্প্রসারণের মাধ্যমে খেলাটিকে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ ইতিবাচক। লেখক তাঁর ব্যক্তিগত ফুটবল যাত্রার স্মৃতিচারণ করে বলেন, ১৯৬৪ সালে পেলের একটি ছবি ও তাঁর জীবনকাহিনী সংবলিত একটি ম্যাগাজিন ফিচার তাকে বিশ্বকাপ সম্পর্কে জানতে উৎসাহিত করে। সেই ঘটনা থেকেই তিনি ব্রাজিলের একনিষ্ঠ সমর্থক হয়ে ওঠেন।
বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বৃদ্ধিকে লেখক ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, যা ছোট দেশগুলোর খেলোয়াড় ও দর্শকদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। তবে, তিনি আসন্ন বিশ্বকাপে দর্শকদের জন্য অতিরিক্ত খেলা এবং স্পনসরদের জন্য চ্যালেঞ্জের আশঙ্কা করছেন। তিনি মনে করেন, টুর্নামেন্টের শুরুতে কিছুটা ধীরগতি থাকলেও নকআউট পর্বে এটি জমে উঠবে। লেখক ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে, এবারের শিরোপা ইউরোপের কোনো দল জিতবে না।
বিশ্বকাপের মতো একটি বৈশ্বিক ক্রীড়া আসরের বিবর্তন, এর সঙ্গে জড়িত মানুষের আবেগ এবং ক্রীড়া অর্থনীতির প্রভাব সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →