খলিসাকুড়ি নদী লিজের রহস্য

📌 Diğer 📰 Prothom Alo (BD) 🕐 2 saat önce
খলিসাকুড়ি নদী লিজের রহস্য

খলিসাকুড়ি হলো ধরলা নদীর আন্তশাখা নদী। অর্থাৎ ধরলা থেকে উৎপন্ন হয়ে ফের ধরলায় মিলিত হয়েছে। উৎপন্ন হয়েছে কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় বাংটুর ঘাটের পাশে। মিলিত হয়েছে সদর উপজেলার মোগবাসায় সাতকুড়ার পাড়ে। নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৩ কিলেমিটার। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নদীর তালিকায় ৫–সংখ্যক নদী এটি। স্থানভেদে নদীটির অনেক নাম। নয়া নদী, হাজির নদী, দয়ারকুড়া, খলিসাকুড়ি, ষাণের ঘাট, সন্ন্যাসীর ডারা, শিয়ালডুবি, গর্ভের দোলা, দই খাওয়া, অর্জুনের ডারা ইত্যাদি। খলিসাকুড়ি নদী সম্পর্কে ধারণা পরিষ্কার করত

কুড়িগ্রামের খলিসাকুড়ি নদী, যা ধরলা নদীর একটি আন্তঃশাখা নদী, অবৈধভাবে লিজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, নদীর একটি অংশকে 'মজাপুকুর' নামে দেখিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে এই লিজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। এই লিজের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং পরিবেশগত ক্ষতি হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে যে, প্রায় ৬৩.৭৬ একর নদী এলাকা, যা প্রায় সাড়ে ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ, বিভিন্ন সময়ে লিজ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে 'মজাপুকুর' অংশটি দুবার লিজ দেওয়া হয়, যা নদীর স্বাভাবিক অবস্থা পুনরুদ্ধারের পথে একটি বড় বাধা। স্থানীয় প্রশাসন এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে জানা গেছে।

নদীকে অবৈধভাবে লিজ দেওয়া পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে।

📌 Kaynak

Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön