পরিবেশবাদীরা: বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে বাজেটে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা নেই
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণে ১৫টি ক্যামস (স্থায়ী স্বয়ংক্রিয় বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র) এবং ১৬টি সি-ক্যামস (সমন্বিত স্বয়ংক্রিয় বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র) পরিচালনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যানবাহনের দূষণ নিয়ন্ত্রণে ১০টি আধুনিক ভেহিকেল ইন্সপেকশন সেন্টার স্থাপন এবং বৈদ্যুতিক বাসসেবা চালুর পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে পরিবেশবিদেরা বলছেন, কেবল দূষণের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করলেই বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ কর
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণের জন্য ১৫টি ক্যামস ও ১৬টি সি-ক্যামস কেন্দ্র পরিচালনার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া, যানবাহনের দূষণ নিয়ন্ত্রণে ১০টি আধুনিক ভেহিকেল ইন্সপেকশন সেন্টার স্থাপন এবং বৈদ্যুতিক বাসসেবা চালুর পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে পরিবেশবাদীরা বলছেন, কেবল দূষণের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করলেই বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। দূষণের উৎসগুলো বন্ধ বা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ ছাড়া পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজেটে বায়ুদূষণের প্রধান উৎস যেমন পুরোনো যানবাহন, ইটভাটা, নির্মাণকাজের ধুলা এবং শিল্পকারখানার নির্গমন নিয়ন্ত্রণে কোনো সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়নি। তারা মনে করেন, দূষণের উৎস বন্ধ না করে কেবল পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা বাড়ালে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। এছাড়া, শব্দদূষণ নিয়েও বাজেটে কোনো প্রস্তাবনা নেই।
বাজেটে বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণের উপর জোর দেওয়া হলেও, এর মূল উৎসগুলো নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপের অভাব পরিবেশবাদীদের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের উপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →