নাজিরারটেকে শুঁটকি উৎপাদনের কর্মব্যস্ততা
বহুবার নাম শুনলেও কখনো যাওয়া হয়নি। কক্সবাজারের শেষ ভূমি–সীমানায় অবস্থান। চ্যানেলের ওপারেই সোনাদিয়া দ্বীপ। দূর থেকে মহেশখালীও দেখা যায়। মহেশখালী চ্যানেলকে অনেককে নাজিরারটেক নদীও বলতে শোনা গেছে। বালুর মাঠ আর জেলেদের কলরব! এক অনিবার্য সত্যি আর প্রাকৃতিক মায়ায় ঘেরা নাজিরারটেক শুঁটকিপল্লি। যেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সঙ্গে নিয়ে, সাহস আর পরিশ্রম করে সাধারণ মানুষকে সামনে এগিয়ে যেতে হয়। গুগল ম্যাপসে কক্সবাজার জিরো পয়েন্ট নাম দেখেই একটা শিহরণ জেগেছিল! নাজিরারটেক শুঁটকিপল্লির ধু ধু বালুর
কক্সবাজারের নাজিরারটেক শুঁটকিপল্লি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম শুঁটকি প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র। প্রায় ১০০ একর জমির উপর নির্মিত এই ইউনিটে নিয়মিত ২০০ টন শুঁটকি উৎপাদিত হয়, যা দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা হয়। এই শিল্পে প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক নিয়োজিত আছেন এবং কক্সবাজার জেলার ৩০ হাজার জেলে মাছ সরবরাহে ভূমিকা রাখেন।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নানা ঝুঁকি সত্ত্বেও, নাজিরারটেকের জেলেরা সাহস ও পরিশ্রমের মাধ্যমে শুঁটকি উৎপাদনে অবদান রেখে চলেছেন। যদিও এই সৈকত এখনো পর্যটকদের কাছে তেমন পরিচিত নয়, এটি জেলেদের জীবনযাত্রা এবং শুঁটকি তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে আগ্রহীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
নাজিরারটেকের শুঁটকি শিল্প দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে এবং হাজার হাজার জেলের জীবিকার উৎস।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →