বিশ্ব কেন আসবে বাংলাদেশে শিখতে?
দেশের প্রাথমিক শিক্ষার মৌলিক পরিবর্তন করতে হলে বৈশ্বিক গতিপ্রকৃতি যেমন বুঝতে হবে, তেমনি আমাদের দেশীয় উদ্ভাবনী শিক্ষা-উদ্যোক্তাদের সঙ্গেও রাষ্ট্রকে মুক্তমনে সংলাপে বসতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে লিখেছেন এম নিয়াজ আসাদুল্লাহ এম নিয়াজ আসাদুল্লাহ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর একটি বক্তব্য দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি স্বপ্ন উল্লেখ করে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বর্তমান সরকার এমন এক শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি
প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ একটি বিশ্বমানের শিক্ষা কেন্দ্রে পরিণত হওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছে। সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যেখানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরাও বাংলাদেশে পড়তে আসবে। যদিও এই লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবসম্মত কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, তবে শিক্ষাক্ষেত্রে বিদ্যমান সংকট নিরসনে এই উদ্যোগ আশার সঞ্চার করেছে।
অতীতে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে সাশ্রয়ী উদ্ভাবনে বাংলাদেশের সাফল্য থাকলেও, বর্তমানে মূল চ্যালেঞ্জ হলো শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিখন নিশ্চিত করা। শিক্ষা বাজেট ঘাটতি এবং 'লার্নিং পভার্টি' মোকাবেলায় নতুন মডেল ও যুগোপযোগী চিন্তার প্রয়োজন। বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর কিছু উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রশংসিত হলেও, সেগুলো সরকারি মূলধারার শিক্ষা কার্যক্রমে এখনো অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের জন্য স্থানীয় উদ্ভাবন ও উদ্যোগগুলোকে সরকারি নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা অপরিহার্য।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →