ফুটবল বিশ্বকাপ: ভূরাজনীতি ও লেনদেনের দাবার চাল
ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর মুখে ‘খেলার বিশুদ্ধতা’ এবং রাজনীতি থেকে এর দূরত্বের কথা আমরা যতই শুনি না কেন, ফুটবল যে স্রেফ কোনো খেলা নয়, তা স্পষ্ট। এটা এখন আধুনিক রাজনীতির ‘সফট পাওয়ার’ ও ‘হার্ড পাওয়ার’ প্রকাশের হাতিয়ারস্বরূপ। এবারের বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট এমন এক ব্যক্তির (মানে ডোনাল্ড ট্রাম্প) পরিসরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যিনি পুরো পৃথিবীকে দেখেন লেনদেনের চশমায়। তাঁর কাছে সব রাজনৈতিক বা আদর্শিক অবস্থান স্রেফ বাণিজ্যিক চুক্তির অংশ। যেকোনো সময় এগুলো কেনাবেচা যায়। জাতীয়তাবাদের
বিশ্বকাপ ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়, এটি এখন আধুনিক রাজনীতির ‘সফট পাওয়ার’ ও ‘হার্ড পাওয়ার’ প্রকাশের একটি শক্তিশালী হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। এবারের বিশ্বকাপ এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো বিশ্বনেতারা সবকিছুকে লেনদেনের চোখে দেখেন এবং জাতীয়তাবাদকে বাণিজ্যিক চুক্তির অংশ হিসেবে বিবেচনা করেন।
গণমাধ্যমগুলো প্রায়ই জাতীয় দলকে ঐক্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরে, যা রাজনীতিবিদদের চেয়ে সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে ট্রাম্পের মতো নেতারা এটিকে কেবল একটি সম্পদ হিসেবে দেখেন, যা অর্থনৈতিক আধিপত্য ও ভূরাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের প্ল্যাটফর্ম। যদিও ফুটবলের মাধ্যমে গভীর রাজনৈতিক বা সামাজিক সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব নয়, তবুও এটি সমাজের ভেতরের চিত্র তুলে ধরে। বেলজিয়াম ও ফ্রান্সের মতো দেশগুলোতে জাতীয় দলগুলো বিভেদ সত্ত্বেও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করে, যা সামাজিক সম্প্রীতি তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
ফুটবল বিশ্বকাপ কেবল ক্রীড়াঙ্গনের একটি ঘটনা নয়, বরং এটি বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার, জাতীয়তাবাদকে শক্তিশালীকরণ এবং বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →