বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট হয়েছে: অর্থমন্ত্রী
বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণসহ নিবিড় নজরদারি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাজেট বক্তৃতায় তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নীতি এবং সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট, অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বেড়েছে। ক্যাপাসিটি চার্জের (বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভাড়া) নামে বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট ও অর্থ পাচার হয়েছে। আগামী অর্থবছরের (২০২৬-২৭) বাজেট প্রস্তাব তুলে ধরার সময় জাতীয় সংসদে এ কথাগুলো ব
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং নিবিড় নজরদারি চলছে। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের অপরিকল্পিত নীতি, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বেড়েছে এবং ক্যাপাসিটি চার্জের নামে বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট ও অর্থ পাচার হয়েছে।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, কিছু মেগা প্রকল্পের বিতর্কিত শর্তের কারণে বিদ্যুৎ আমদানি ও ক্রয়ে অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। এই খাতে আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ক্যাপাসিটি চার্জ ও বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রস্তাবিত বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের জন্য ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা গত অর্থবছরের তুলনায় ৩৯৩ কোটি টাকা বেশি।
বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক স্বচ্ছতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →