যশোরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে
যশোরের চৌগাছায় যুবলীগের এক নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার মুক্তদাহ গ্রামে তাঁর ওপর হামলা হয়। পরে দুপুরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরিবারের অভিযোগ, বিএনপির নেতা–কর্মীরা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। নিহত জুয়েল আহমেদ রানা (৪০) মুক্তদাহ গ্রামের ওয়াদুদ খন্দকারের ছেলে। তিনি স্থানীয় পাতিবিলা ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানের পর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর তিনি এলাকা
যশোরের চৌগাছায় পাতিবিলা ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জুয়েল আহমেদ রানা (৪০) কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে মুক্তদাহ গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তবে চৌগাছা উপজেলা বিএনপি সভাপতি এম এ সালাম জমি-জমা নিয়ে বিরোধের জেরে এই খুন হয়েছে বলে দাবি করেছেন এবং নজরুল ইসলামের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ইউসুফ আলী (কসাই) নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে পূর্ব বিরোধের জের ধরে এই ঘটনা ঘটেছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এই ঘটনা রাজনৈতিক সহিংসতা এবং স্থানীয় বিরোধের মধ্যেকার জটিল সম্পর্ককে তুলে ধরেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →