বৈদ্যুতিক গাড়িতে শুল্ক ছাড়, বাড়বে তেলের গাড়ির দাম
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ব্যাটারিচালিত বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) সাধারণ মানুষের জন্য আরও সাশ্রয়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তেলচালিত মধ্যম সারির গাড়ির ওপর কর বাড়ানো হচ্ছে। পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধিতে এটা সরকারে গৃহীত বড় ধরনের নীতিগত উদ্যোগ। বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি), প্লাগ-ইন হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিকেল (পিএইচইভি), এসব যন্ত্রপাতি ও চার্জিং অবকাঠামো আমদানিতে বিপুল শুল্ক-কর ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। অপর দিকে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর কিছু গাড়ি আ
সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) এবং প্লাগ-ইন হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিকেল (পিএইচইভি) সহজলভ্য করার লক্ষ্যে শুল্ক ও কর হ্রাসের প্রস্তাব করেছে। এর ফলে ইভি ও হাইব্রিড গাড়ির দাম কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর জীবাশ্ম জ্বালানিচালিত মাঝারি আকারের (১,২০০-১,৬০০ সিসি) গাড়ির ওপর কর বাড়ানো হচ্ছে, যা এই গাড়িগুলোর দাম বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলবে।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, বৈদ্যুতিক গাড়ির চার্জার ও চার্জিং স্টেশনের উপকরণ আমদানিতে শুল্ক-কর সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে। এছাড়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত ইলেকট্রিক বাস আমদানিতেও বিশেষ শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা ২০৩১ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। মধ্যম সারির তেলচালিত গাড়ির করভার ১৩২.৩৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫৫.৮৮ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই নীতি পরিবর্তন পরিবেশবান্ধব পরিবহনকে উৎসাহিত করবে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করবে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →