জামালপুর সীমান্তে শূন্যরেখায় থাকা ব্যক্তিকে পরিবারের হাতে সোপর্দ
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়াকামালপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ঠেলে পাঠানো ষষ্টিচন্দ্র বর্মণকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার আগে পরিবারের সদস্যদের কাছে তাঁকে তুলে দেন বিজিবির সদস্যরা। এর আগে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর সীমান্ত থেকে আজ সকালে তাঁকে বকশীগঞ্জ থানায় আনা হয়। ষষ্টিচন্দ্র বর্মণ (৬৮) রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চান্দলাই গ্রামের বাসিন্দা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক ইমাম হোসেন।
জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক ঠেলে পাঠানো ষষ্টিচন্দ্র বর্মণ নামের এক ব্যক্তিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা তাকে পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেন। এর আগে, পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর সকালে তাকে সীমান্ত থেকে বকশীগঞ্জ থানায় আনা হয়েছিল। ষষ্টিচন্দ্র বর্মণ, যিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছেন বলে জানা গেছে, দুই মাস আগে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন।
তার পরিবারের সদস্যরা তাকে ফিরে পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। ষষ্টিচন্দ্রের ছোট ভাই জানিয়েছেন, তারা দুই মাস ধরে তার কোনো সন্ধান পাচ্ছিলেন না এবং কীভাবে তিনি ভারতে গিয়েছিলেন তাও জানতেন না। সীমান্ত এলাকার ভিডিও দেখে তারা তাকে শনাক্ত করার পর বিজিবির সাথে যোগাযোগ করেন। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মানসিক সমস্যাগ্রস্ত এক ব্যক্তির সীমান্ত অতিক্রম এবং পরে পরিবারের কাছে নিরাপদে ফিরে আসা একটি মানবিক ঘটনা।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →