বিশ্বকাপ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা সহজ
ফুটবল এক অদ্ভুত খেলা। প্রখর যুক্তিবাদী মানুষও এই খেলার পাকে-চক্রে দ্বিচারী হয়ে পড়েন। কীভাবে, সেটাই বলছি। এর প্রস্তুতি নেওয়া হয় বিজ্ঞানসম্মতভাবে। মানে, শারীরিক কলাকৌশল, দক্ষতা, ফিটনেস—সবকিছুর মধ্যে সায়েন্স, যুক্তি ও বাস্তবতার ছিটেফোঁটা থাকে। কিন্তু পছন্দের দলের ক্ষেত্রে যুক্তি, বিজ্ঞান কিংবা বাস্তবতা নয়, কথা বলে মন। মনে হয়, সমস্ত বাস্তবতা গোল্লায় যাক, মন আমার ফড়িং হয়ে পদ্মপাতায় বসে পছন্দের দলের সঙ্গে পিরিত করে মরুক রে, পিরিত করে মরুক! সেই পিরিত জ্বাল দেওয়া দুধের ওপর পুরু সর পড়
ফুটবল খেলাটি যুক্তি ও বিজ্ঞানের বাইরে গিয়ে আবেগের বশবর্তী হয়ে পড়ে, বিশেষ করে যখন বিশ্বকাপ আসে। এই সময় মানুষ তাদের পছন্দের দলের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে, এমনকি কোনো বাস্তব ভিত্তি ছাড়াই। এই প্রবণতা এতটাই প্রবল যে, মার্ক টোয়েনের মতো বিখ্যাত ব্যক্তিও হয়তো বলতেন যে বিশ্বকাপ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা সহজ।
ঐতিহাসিকভাবে, কিছু প্রাণী তাদের ভবিষ্যদ্বাণীর জন্য পরিচিতি লাভ করেছে। জার্মানির একটি হাতি 'নেলি' ২০০৬ ও ২০১০ বিশ্বকাপ এবং ২০১২ ইউরোতে ৩৩টি ম্যাচের মধ্যে ৩০টিতে সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল। তবে, অক্টোপাস পল ২০১০ বিশ্বকাপে আরও বেশি খ্যাতি অর্জন করে, জার্মানির সাতটি ম্যাচের ফলাফল এবং ফাইনালে স্পেনকে বিজয়ী হিসেবে ভবিষ্যদ্বাণী করে।
বিশ্বকাপের মতো বড় ক্রীড়া ইভেন্টগুলো মানুষের মধ্যে যুক্তি-তর্ককে ছাপিয়ে গিয়ে আবেগ ও অন্ধ বিশ্বাসকে প্রভাবিত করে, যা প্রাণীজগতের ভবিষ্যদ্বাণীর প্রতিও আগ্রহ তৈরি করে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →