ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহায়ক বাজেট
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট সামগ্রিকভাবে ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহায়ক। তবে বাজেটের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে রাজস্বের উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ঘোষিত সংস্কারের বাস্তবায়নের ওপর। বাজেট ঘোষণার পর গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর মতিঝিলে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ এ প্রতিক্রিয়া জানান। সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা চেম্বার বলেছে, প্রস্তাবিত বাজেটটি বিগত অর্থবছরের তুলনায় ১৯ শতাংশ বড়। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ঘোষণা অনুযায়ী রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি করা ব
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে সামগ্রিকভাবে ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য সহায়ক বলে মন্তব্য করেছে। তবে, ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ উল্লেখ করেছেন যে এই বাজেটের প্রকৃত কার্যকারিতা নির্ভর করবে উচ্চাভিলাষী রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ এবং ঘোষিত সংস্কারগুলোর সফল বাস্তবায়নের উপর।
বাজেটটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ১৯ শতাংশ বড় হলেও, বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ৩০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ডিসিসিআই আরও সতর্ক করেছে যে, বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ঋণের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ এবং ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতাকে ব্যাহত করতে পারে। কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে, উৎসে করকে অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে, তবে ভ্যাট হার অপরিবর্তিত রেখে করের আওতা বাড়ানোর পদক্ষেপকেও ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই বাজেট প্রস্তাবনা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ পরিবেশের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →