আমের কার্বাইড, ফরমালিন ও কীটনাশক: স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি
গ্রীষ্ম মানেই আমের উৎসব। তবে ফলের রাজার জনপ্রিয়তার আড়ালে রয়েছে রাসায়নিক ব্যবহারের উদ্বেগ। দূষিত আম কীভাবে চিনবেন, এর স্বাস্থ্যঝুঁকি কী এবং নিরাপদ আম বাছাইয়ের উপায় নিয়েই এই আলোচনা। আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল হলেও মৌসুমি ফল হিসেবে সবচেয়ে বেশি খাওয়া হয় আম। আম নিয়ে ক্রেজের শেষ নেই। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষও আম খেতে চান, সুগার বাড়লেও আম খান। আমের ব্যাপক চাষ হচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে আমের ফলন দিনে দিনে বৃদ্ধি পেয়েছে। সারা দেশে আমের বাগানে সয়লাব। বেশি বিক্রি আর ফলনে লাভের কারণে আমের চাষের
গ্রীষ্মকালে আমের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে থাকলেও, রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের কারণে এটি স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আম দ্রুত পাকানো, সংরক্ষণ এবং বেশি ফলনের জন্য কার্বাইড, ফরমালিন ও কীটনাশকের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করছেন। এসব রাসায়নিক মানবদেহে প্রবেশ করে প্রজননতন্ত্র, লিভার, কিডনি ও মস্তিষ্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে, এমনকি ক্যান্সারও ঘটাতে পারে।
তবে সব আমে এই রাসায়নিক থাকে না। অনেক কৃষক নিরাপদ কৃষিপদ্ধতি অনুসরণ করছেন। অনুমোদিত মাত্রার বাইরে বা নিষিদ্ধ রাসায়নিকের ব্যবহারই মূল সমস্যা। কার্বাইড পানির সংস্পর্শে এসে অ্যাসিটিলিন গ্যাস তৈরি করে, যা ফল দ্রুত পাকিয়ে দেয়। ফরমালিন আম সংরক্ষণে ব্যবহৃত হলেও এটি মানবদেহের জন্য অত্যন্ত বিষাক্ত।
আমের মতো জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত ফলে রাসায়নিকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি গুরুতর উদ্বেগের বিষয়, যা সম্পর্কে ভোক্তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি।