বিশাল বাজেট, স্বপ্নপূরণ ও বাস্তবতার সংশয়
বড় স্বপ্ন দেখিয়ে ২০ বছর পর ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। মানুষ তাকিয়ে ছিলেন বাজেটের দিকে। সবার স্বপ্নপূরণে বিশাল বাজেটও দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সব পক্ষকে খুশি করতে করের ক্ষেত্রে বিপুল ছাড়ও দিয়েছেন। একই সঙ্গে এই বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয়ও বিরাট। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, এত বড় বাজেটের জন্য অর্থ কোথা থেকে আসবে। অনেক বেশি হারে কর আদায় করতে হবে। এরপরও ঘাটতি থাকবে অনেক। এ জন্য অর্থমন্ত্রী বেশি ভরসা করেছেন বৈদেশিক ঋণের ওপর। আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ঋণ পেতে হবে
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য একটি উচ্চাভিলাষী বাজেট ঘোষণা করেছেন, যার লক্ষ্য মূল্যস্ফীতি ৭.৫% এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬.৫%। এই বাজেট 'গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা' নামে অভিহিত এবং এতে ১০টি প্রধান অগ্রাধিকারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বাজেটে কর ছাড়সহ সৃজনশীল ও সবুজ অর্থনীতির মতো খাতগুলোকে জাতীয় অর্থনীতির কেন্দ্রে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে, বিশাল ঘাটতি পূরণের জন্য বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরতা এবং দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, যেমন উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও ব্যাংক খাতের দুর্বলতা, এই বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে।
এই বাজেট দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে, যেখানে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য এবং বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →