স্বপনের মাসে আয় ৩০ হাজার, গজারি বন থেকে সংগ্রহ করেন পিঁপড়ার ডিম
বাঁশের মাথায় বিশেষ থলে বেঁধে প্রতিদিন ভোরে গজারি বনে ঢুকে পড়েন স্বপন চন্দ্র বর্মণ (৪০)। দৃষ্টি থাকে গাছের মগডালে। যেখানে কয়েকটি পাতা একসঙ্গে জড়ো হয়ে আছে, সেখানেই তাঁর নজর আটকে যায়। ওই পাতার আড়ালেই লুকিয়ে থাকে তাঁর রোজগারের উৎস পিঁপড়ার বাসা। গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার শিরিশগুড়ি গ্রামের বাসিন্দা স্বপন চন্দ্র বর্মণ আট বছর ধরে এভাবেই পিঁপড়ার ডিম সংগ্রহ করে সংসার চালাচ্ছেন। মা–বাবা, স্ত্রী ও এক মেয়েকে নিয়ে স্বপনের পাঁচজনের সংসার। সংসারের পুরো ভার তাঁর ওপর। পিঁপড়ার ডিম
স্বপন চন্দ্র বর্মণ, গাজীপুরের শ্রীপুরের শিরিশগুড়ি গ্রামের বাসিন্দা, গত আট বছর ধরে গজারি বন থেকে পিঁপড়ার ডিম সংগ্রহ করে সংসার চালাচ্ছেন। বিশেষ পদ্ধতিতে বাঁশের মাথায় থলে বেঁধে গাছের মগডালে থাকা পিঁপড়ার বাসা থেকে তিনি ডিম সংগ্রহ করেন। এই ডিম 'মাইজলের ডিম' নামে পরিচিত এবং শৌখিন মাছশিকারিদের কাছে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
স্বপন জানান, পরিশ্রম করলে এই ডিম বিক্রি করে মাসে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব। বছরের বিভিন্ন সময়ে ডিমের দাম প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে। জুন, জুলাই ও আগস্ট মাসে চাহিদা বেশি থাকায় দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়, যা তার আয়ের প্রধান উৎস। স্বপন ছাড়াও তার গ্রামের আরও ২০-২৫ জন এই পেশার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন।
পিঁপড়ার ডিম সংগ্রহ ও বিক্রি এই অঞ্চলের অনেক পরিবারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎস এবং এটি ভাওয়াল বনাঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী পেশা।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →