বিশ্বকাপ ২০২৬: আয়োজক দেশ ভেদে নিয়মের ভিন্নতা
চার বছর আগের কথা। পশ্চিমা ফুটবল বিশ্ব হঠাৎ তাদের বিবেক খুঁজে পেয়েছিল। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের আগে নরওয়ে, ডেনমার্ক ও জার্মানির মতো বহু দেশের ফুটবল ফেডারেশন আয়োজক দেশের মানবাধিকার রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তৈরি হয় বিশেষ আর্মব্যান্ড। দেওয়া হয় একের পর এক বিবৃতি। আমাদের বোঝানো হয়েছিল, ফুটবল মানে শুধু গোল দেওয়া নয়, কিছু মূল্যবোধও থাকে। গোটা আসরটা কাতারের জন্য এক অগ্নিপরীক্ষা হয়ে উঠেছিল। এখন ২০২৬ সাল। বৈপরীত্যটা এড়ানো অসম্ভব। বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে সোমালি রেফারি ও
২০২৬ বিশ্বকাপ শুরুর আগে সোমালি রেফারি ওমর আরতানকে বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ফিফা নিশ্চিত করেছে যে তিনি পুরো টুর্নামেন্ট মিস করবেন, কারণ সকল রেফারিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ঘাঁটিতে থাকতে হবে। আরতান, যিনি আফ্রিকার অন্যতম সেরা রেফারি এবং গত বছর আফ্রিকার বর্ষসেরা পুরুষ রেফারি নির্বাচিত হয়েছিলেন, তার বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত অভিবাসন দপ্তরেই থেমে গেল। এই ঘটনায় ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের আগে মানবাধিকার নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর যে সরব প্রতিবাদ দেখা গিয়েছিল, তার তুলনায় এবার নীরবতা লক্ষণীয়।
এই ঘটনাটি আয়োজক দেশ ভেদে নিয়ম প্রয়োগে দ্বিমুখী নীতির প্রশ্ন তোলে এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের প্রয়োগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →